জিটুজির আওতায় মালয়েশিয়া গেলেন ৯৮ কর্মী

সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে জিটুজি প্লাস চুক্তির অধীনে ৯৮ জন কর্মী মালয়েশিয়া গেছেন। শুক্রবার রাত নয়টা ৫০ মিনিটে হজরত শাহজালাল (রহঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিজি-০৮৬ ফ্লাইটে ৯৮ কর্মী এবং জনশক্তি, কর্মসংস্থান এবং প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)-এর ছয় কর্মকর্তাসহ মোট ১০৪ জন মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের বিদায় জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম শামসুন্নাহার। এ সময় বিএমইটি মহাপরিচালক সেলিম রেজাসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রবাসী কল্যাণ সচিব শামসুন্নাহার সাংবাদিকদের বলেন, এটি একটি প্রত্যাশা পূরণের মুহূর্ত।

ঢাকা থেকে ৯৮ জন কর্মী নিয়ে কুয়ালালামপুরে প্রথম ফ্লাইট যাওয়ার মাধ্যমে ফের খুলল বাংলাদেশের অন্যতম এই বৃহৎ শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০০৮ সালের পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার এবার ব্যাপকভাবে খুলেছে। এর মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশ থেকে বেশি সংখ্যায় কর্মী নেয়া বন্ধ করে মালয়েশিয়া। তারপর ২০১২ সালে দু’দেশের সরকার জিটুজি চুক্তি করে সরকারি পর্যায়ে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেয়। ওই সময়ে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অভিবাসন ব্যয় কমলেও কর্মী পাঠানোর সংখ্যা খুবই কম হয়। জিটুজি পদ্ধতিতে সবমিলিয়ে ১০ হাজারের কম কর্মী মালয়েশিয়ায় পাঠানো সম্ভব হয়।

২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া জিটুজি প্লাস চুক্তি সই করে। এ চুক্তির আওতায় বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠাবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। তবে এ ব্যাপারে উভয় দেশের সরকারের কড়া নজরদারি থাকবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭০১ ঘণ্টা, ১১ মার্চ ২০১৭
লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/এসডিএম

শেয়ার করুন