এক ভাপা পিঠার দাম এক হাজার টাকা !

এক ভাপা পিঠার দাম এক হাজার টাকা !
এক হাজার টাকা দামের ভাপা পিঠা - ছবি: সৌজন্যে আরটিভি নিউজ

শীতে ধোঁয়া ওঠা গরম গরম সুস্বাদু ভাপা পিঠার নাম শুনলেই জিভে জল আসবে। আকার ভেদে এ পিঠার দাম আবার ২০ টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা। নরসিংদীর মালেক মিয়ার ভাপা পিঠার কথা বলছি। যেখানে পিঠা খেতে পিঠাপ্রেমীরা লাইন ধরেন। ১০ বছর ধরে তিনি ভাপা পিঠা বিক্রি করছেন। মসজিদ-মাদরাসা আর এতিমখানায় তার আয়ের একটি অংশ তিনি দান করেন।

নারকেল, মিষ্টি খেজুর গুড় আর চালের মিহি গুঁড়ায় বানানো ভাপা পিঠা। শীতের আবহে, ধোঁয়া ওঠা এ পিঠা যেন জিভে জল আনে।

বৈচিত্র্য স্বাদের এ ভাপা পিঠা তৈরি করে পিঠাপ্রেমীদের নজর কেড়েছেন নরসিংদীর মালেক মিয়া। শহরের জেলখানা মোড়ে তার পিঠার দোকান। সেখানে মিলবে ২০ টাকা থেকে শুরু করে দুইশত, পাঁচশত এমনকি এক হাজার টাকা দামের পিঠা।

এক হাজার টাকা দামের পিঠার স্বাদ পেতে হলে অর্ডার করতে হয় একদিন আগে। এটি বানানোর প্রক্রিয়াটাও দীর্ঘ। আতপ চালের গুঁড়া, খেজুরের গুড়, নারকেল, মালাই, মাওয়া, ঘি, মোরব্বা, সুগন্ধি পোলাও চাল, কিসমিস, খেজুর, পেস্তাবাদাম, কাঠবাদাম, কাজুবাদামসহ নানা উপাদান মিশানো হয় হাজার টাকার পিঠায়।

সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা কিংবা ১০টা পর্যন্ত চলে ভাপা পিঠা কেনাবেচা। মুখরোচক আর স্বাদের বৈচিত্র্যের কারণে প্রতিদিন মাত্র কয়েক ঘণ্টায় আট থেকে ১০ হাজার টাকার পিঠা বিক্রি করেন মালেক। লাভের একটি অংশ তিনি দান করেন মসজিদ-মাদরাসায়।

পিঠা বিক্রেতা মালেক মিয়া বলেন, কিঞ্চিৎ লাভে পিঠাগুলো বিক্রি করছি। এখানে ২০-১০০০ টাকার পিঠা আছে। এই পিঠার কামাই মসজিদ, মাদরাসায় তিন ভাগ আর এক ভাগ আমার। এই এক ভাগ দিয়ে আল্লাহ আমাকে ভালো চালায়। আমার কোনো কষ্ট নেই, কোনো ঋণ নেই।

পিঠা বিক্রি ছাড়াও বছরের বাকি সময়, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অটোরিকশা এবং সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত পান-সিগারেট বিক্রি করেন মালেক মিয়া।

সংবাদ সূত্রঃ আরটিভি নিউজ