Home খেলা পিএসজির দাবি ২২২ মিলিয়ন ! নেইমারকে ধারে চায় বার্সা

পিএসজির দাবি ২২২ মিলিয়ন ! নেইমারকে ধারে চায় বার্সা

- Advertisement -

ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমারকে নিয়ে দাম কষাকষি চলছে বার্সেলোনা-পিএসজি মধ্যে।অন্যদিকে শুরুতে তার জন্য ২৫০ মিলিয়ন ইউরো দাবি করলেও এখন ২২২ মিলিয়ন ইউরোর কমে কিছুতেই ছাড়তে রাজি নয় ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।

২০১৭ সালে দলবদলের বিশ্বরেকর্ড গড়ে নেইমারের পিএসজিতে পাড়ি দেওয়ার মাত্র দুই বছর পর তাকে ফিরে পেতে একের পর এক অফার দিয়ে যাচ্ছে বার্সেলোনা। নেইমারের বিনিময়ে ফিলিপ্পে কৌতিনহোকে পিএসজির হাতে তুলে দেওয়ার অফার শেষ হয়েছে আগেই। সবাইকে অবাক করে দিয়ে ধারে জার্মান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখে গেছেন কৌতিনহো। ফলে নেইমারের আকাশছোঁয়া মূল্য পরিশোধের সবচেয়ে সহজ উপায় এখন আর বার্সার হাতে নেই।

- Advertisement -

সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে দ্রুতই। তাই তড়িঘড়ি করে এক মৌসুমের জন্য নেইমারকে ধারে আনার প্রস্তাব দিয়েছে বার্সা। সেই সঙ্গে থাকছে স্থায়ীভাবে কিনে নেওয়ার প্রস্তাবও। অর্থাৎ, এবার আর খেলোয়াড় বিনিময়ের পথে হাঁটছে না কাতালানরা। কিন্তু এবারও তাদের খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে। সুর কিছুটা নরম করলেও ২২২ মিলিয়ন ইউরোর কমে নেইমারকে না ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে পিএসজি। ‘ইএসপিএন’র এক রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

কাতালানের স্থানীয় রেডিও স্টেশন ‘আরএসি-১’ জানিয়েছে, নেইমারকে ধারে আনতে পিএসজির কাছে লিখিত প্রস্তাব দিয়েছিল বার্সেলোনা। গত সোমবার (১৯ আগস্ট) বার্সেলোনার হেডকোয়ার্টারে এ নিয়ে একটি মিটিংয়েও বসেছিল দুই ক্লাবের প্রতিনিধি দল। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বার্সা প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া বার্তমেউ, স্পোর্টিং ডিরেক্টর এরিক আবিদাল এবং ক্লাবের ব্রাজিলিয়ান রিক্রুটার ও নেইমারদের পারিবারিক বন্ধু আন্দ্রে কারি।

এদিকে নেইমার ‘ঝামেলা’ থেকে মুক্তি চায় পিএসজিও। কিন্তু যে মূল্যে বার্সার কাছ থেকে কেনা হয়েছিল, ঠিক সমান অর্থই দাবি করেছে ক্লাবটি। এমনকি বার্সা যদি এক মৌসুম শেষ নেইমারকে সমান মূল্য দিয়েও কিনতে চায়, তবুও তারা রাজি নয়। তাদের ধারণা, ওই সময় আবার নেইমারকে নিয়ে নতুন কোনো ‘নাটক’ সাজাতে পারে বার্সেলোনা!

দুদিন আগে ফরাসি মিডিয়ায় খবর রটে গিয়েছিল, মেসিকে খুশি রাখতেই নাকি নেইমার ‘নাটক’ সাজিয়েছে ক্যাম্প ন্যু। এজন্যই কি তবে নেইমারকে ধারেও বার্সায় পাঠাতে রাজি হচ্ছে না পিএসজি? অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো বলে। দু’সপ্তাহের মধ্যেই সব ‘জলবৎ তরলং’ হয়ে যাবে।

- Advertisement -