Home আন্তর্জাতিক প্রাণ ঝরছেই বন্দুক হামলায়

প্রাণ ঝরছেই বন্দুক হামলায়

- Advertisement -

যুক্তরাষ্ট্রে গত শনিবার চব্বিশ ঘণ্টায় দুটি বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। টেক্সাসে বন্দুক হামলায় ২০ জন নিহত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গতকাল রবিবার ভোরে ওহাইয়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরে অপর এক হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন কোনোভাবেই একের পর এক ঘটতে থাকা বন্দুক হামলা ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না। বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী আচরণ এ হামলাকে উসকে দিচ্ছে।

ভেসাস কনসার্ট : ২০১৭ সালের ১ অক্টোবর লাস ভেগাসের একটি কনসার্টে ৬৪ বছর বয়সী এক অবসরপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষকের বন্দুক হামলায় ৫৮ জন নিহত এবং কমপক্ষে ৫৫০ জন আহত হয়। হামলার পর হামলাকারী নিজেও আত্মহত্যা করে। যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক ইতিহাসে এই হামলার ঘটনাকে সবচেয়ে প্রাণঘাতী বলা হচ্ছে।

- Advertisement -

ফ্লোরিডা ক্লাব : অরলান্দো শহরের একটি নাইট ক্লাবে ২০১৬ সালের ১২ জুন ভারী অস্ত্রে সজ্জিত এক বন্দুকধারী হামলা চালায়। ওই হামলায় ৪৯ জন নিহত হয়। হামলার পর পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়। পরে ওই হামলার দায় স্বীকার করে ইসলামিক স্টেট নামের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।

স্যান্ডি হুক : ২০১২ সালের ডিসেম্বরে কানেকটিকাটের নিউটাউনে ২০ বছর বয়সী এক যুবক তার মাকে হত্যা করে। ওই দিনই ওই যুবক স্যান্ডি গুহ স্কুলে গুলি চালালে ২৬ জন নিহত হয়। এরপর সে নিজেও আত্মহত্যা করে। ঠিক কী কারণে ওই যুবক হামলা চালিয়েছিল, তার সুরাহা আজও হয়নি।

টেক্সাস গির্জা : ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর টেক্সাসের সান অ্যান্তনিওতে একটি গির্জায় ২৬ বছর বয়সী এক যুবক বন্দুক হামলা চালায়। হামলায় ঘটনাস্থলেই ২৫ জন মারা যায়। হামলার পর বন্দুকধারী যুবক পালিয়ে যায়। কিন্তু পরে তার নিজের গাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় তাকে। গোয়েন্দাদের ধারণা, হামলাকারী যুবক নিজ গাড়িতেই আত্মহত্যা করে।

ফ্লোরিডা হাইস্কুল : মার্জোরি স্টোনম্যান ডগল্যাস হাই স্কুলের সাবেক এক শিক্ষার্থীকে আচরণবিধি ভঙ্গের কারণে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। ওই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষার্থী স্কুলে হামলা চালায়। ওই হামলায় ১৪ জন শিক্ষার্থী এবং স্কুলের তিন কর্মকর্তা নিহত হন।

ক্যালিফোর্নিয়া অফিস পার্টি’ : ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নাদিনো শহরে একটি অফিসে বড়দিনের অনুষ্ঠানে এক মুসলিম দম্পতি হামলা চালায়। হামলায় ১৪ জন নিহত ও ২২ জন আহত হয়। ওই দম্পতি পরে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

ভার্জিনিয়া সৈকত : ভার্জিনিয়া সৈকতের পাশের একটি সরকারি ভবনে এক প্রকৌশলীর বন্দুক হামলায় ১২ জন নিহত হয়। পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ওই হামলাকারী নিহত হয়।

ক্যালিফোর্নিয়া বার : ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর ২৮ বছর বয়সী এক সাবেক নেভি অফিসার ক্যালিফোর্নিয়ার একটি বারে হামলা চালালে ১২ জন মারা যায়। আফগানিস্তান থেকে যুদ্ধফেরত ওই সেনা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানানো হয়।

সান্তা ফে হাইস্কুল : টেক্সাসের সান্তা ফেতে ২০১৮ সালের ১৮ মে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর শটগান ও রিভলবার দিয়ে একটি স্কুলে হামলা চালায়। ওই হামলায় ১০ জন নিহত হয়, যাদের মধ্যে আটজনই শিক্ষার্থী।

- Advertisement -