বিমানের ময়লা-আবর্জনার ট্রলিতে মিলল ১০ স্বর্ণের বার

বিমানের ময়লা-আবর্জনার ট্রলিতে মিলল ১০ স্বর্ণের বার
১০ স্বর্ণের বার - সংগৃহীত ছবি

কাতারের দোহা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের ময়লা ফেলার পলিব্যাগের ভেতর থেকে জব্দ করা হয়েছে কোটি টাকা মূল্যের ১০টি স্বর্ণের বার।

আজ মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সকাল আটটায় সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রাজস্ব ও কাস্টমস কর্মকর্তারা ময়লার ব্যাগটি স্ক্যান করে কৌশলে লুকিয়ে রাখা পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ কেজি ১৬ গ্রাম ওজনের ওই স্বর্ণের বার জব্দ করেন।

বিমানবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নাজ্জাসী পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে গোপন তথ্য ছিল, কাতারের দোহা থেকে আসা বিজি ২২৬ নম্বর ফ্লাইটে বিমানের ভেতরে ব্যবহৃত ময়লা-আবর্জনা ফেলার পলিব্যাগে করে স্বর্ণ চোরাচালান হবে। তাই আমরা প্রতিদিনের মতো ময়লার ব্যাগটি স্ক্যান করি। এসময় ময়লাগুলোর মধ্যে পেপার জাতীয় একটি বিশেষ বস্তু দেখা যায়। পরে কাস্টমসসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তা খুলে ১০টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। যার ওজন এক কেজি ১৬ গ্রাম। এর বাজার মূল্য এক কোটি টাকা।’

এর আগে চলতি বছরের ২ জুন সকালে আবুধাবি থেকে ছেড়ে আসা বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে এক কেজি ১৬০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণ জব্দ করা হয়। ওই সময় বিমানের যাত্রী মঈনুল ইসলাম শাকিল (২২) নামে এক তরুণ আটক করেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। তিনি নিজের লাগেজ ট্রলিতে রডের যে ফ্রেম থাকে লাগেজ মজবুত রাখার জন্য, সেই রড খুলে সেখানে স্বর্ণ দিয়ে রডের মতো বানিয়ে বহন করছিলেন।

এছাড়া গত ২৭ মে সকাল সাতটায় দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের যাত্রীর কাছে এক কেজি ১৬০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণ জব্দ করা হয়। মো. আলী আহমদ নামে ওই যাত্রী একটি নেবুলাইজার মেশিনের ভেতরে কৌশলে স্বর্ণের ১১টি পাত বহন করছিলেন। সেই পাতগুলো রুপালি রঙের প্রলেপ দেওয়া ছিল। এ নিয়ে চলতি বছরের মে, জুন ও জুলাই এই তিন মাসে এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি স্বর্ণের চোরাচালান জব্দ করা হলো।