২২ বছর পর প্রিয়াঙ্কা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন শেরপুরের তিনটি সংসদীয় আসনের সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। তিনি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীর মেয়ে। এই আসনে গত ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত বিএনপি থেকে চারজনের মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়।

যাচাই-বাছাইয়ে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তাই দীর্ঘ ২২ বছর পর বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এই আসনে নির্বাচনে লড়বেন হযরত আলীর মেয়ে সানসিলা জেবরিন।

জেলা রিটার্নিং অফিসারের মিডিয়া সেল থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনে ঋণখেলাপি এবং অপর দুই প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ফজলুল কাদেরের দলীয় মনোনয়ন না থাকায় বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে পারবেন না। এদিকে হযরত আলী কারাগারে থাকায় তফসিল ঘোষণার পর থেকেই মাঠে সরব তার পরিবার ও দল বিএনপি।

জোটের রাজনীতির স্বার্থে বিগত চারটি জাতীয় নির্বাচনে শেরপুর-১ আসনটি জামায়াতকে ছেড়ে দিলেও জয়ের মুখ দেখেনি জামায়াত। সে কারণে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে গত ২২ বছরে কোনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। কিন্তু মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরের পর সদর আসনে নতুন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করে বিএনপি।

বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্রের চূড়ান্ত চিঠি পাওয়ার আগে এই আসনে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও সর্বশেষ এই আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের চারবারের এমপি ও হেভিওয়েট প্রার্থী হুইপ আতিউর রহমান আতিকের বিপক্ষে লড়বেন হযরত আলীর মেয়ে সানসিলা জেবরিন। তিনি পেশায় ডাক্তার এবং রাজধানীর ধানমন্ডিতে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রভাষকের দায়িত্ব পালন করছেন।

সানসিলা জেবরিন বলেন, দীর্ঘ সময় পর এই আসনে বিএনপি থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এটা অনেক আনন্দের ব্যাপার। এ ছাড়া এই আসনে ধানের শীষের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। নিজেকে অনেক লাকি মনে করছি, কারণ সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় ধানের শীষের জয় হবেই ইনশাআল্লাহ।

লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/বিএনকে