নোয়াখালীর ৩ রাজাকারের ফাঁসির রায়

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় নোয়াখালীর জামায়াত নেতা আমির আলীসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার অন্য এক আসামিকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার এ রায় দেন। আমীর আলী ছাড়া এ মামলার অন্য তিন আসামি হলেন, মো. জয়নাল আবদিন, মো. আব্দুল কুদ্দুস ও আবুল কালাম। আসামি আবুল কালাম পলাতক।

মো. আব্দুল কুদ্দুসকে ২০ বছরের সাজা ও বাকিদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ রায়ের মধ্য দিয়ে একাত্তর সালে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৩১টি রায় দিলেন দুই ট্রাইব্যুনাল।এ মামলায় আসামি ছিল পাচঁজন। এর মধ্যে আসামি মো. ইউসুফ আলী গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার জন্য গতকাল সোমবার ট্রাইব্যুনালের কার্যতালিকায় রাখা হয় মামলাটি। পরে রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন ঠিক করে দেন আদালত। গত ৬ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় যুক্তি উপস্থাপন শেষে যে কোন দিন রায় দেওয়ার জন্য সিএভি (অপেক্ষমাণ) রাখা হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী তারিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, গাজী মুক্তিযুদ্ধের সময় আসামিরা নোয়াখালীর সুধারামে ১শ ১১ জনকে হত্যা করে। এছাড়া্ও লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ রয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।

এ মামলাটির তদন্ত করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন। এই তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষ ১৫ সাক্ষির সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামিদের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে কোনো সাক্ষি আসেনি। ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট শেষ হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১১৫৬ ঘণ্টা, ১৩ মার্চ, ২০১৮

লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/এস