৬ বছরের প্রেম, শারীরিক সম্পর্ক! অতঃপর

ছবি : প্রতীকী

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় বারুহাস ইউনিয়নের বস্তুল গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে চারদিন অনশনের পর উপায় না পেয়ে বিষ পানে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন এক কলেজছাত্রী।

বর্তমানে ওই কলেজছাত্রী তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্র জানা যায়, বস্তুল গ্রামের দরিদ্র বাবার কলেজ পড়ুয়া মেয়ে হোসনেয়ারা খাতুনের সঙ্গে ছোট পওতা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য প্রভাবশালী হাসান আলীর ছেলে মাসুদ রানার ৬ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।

এরই একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভনে মাসুদ রানা মেয়েটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত সোমবার গোপনে মাসুদ রানার বিয়ের সংবাদ পেয়ে হোসনেয়ারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে মাসুদ রানা তাকে বাড়িতে আসতে বলে উধাও হয়ে যায়।

সেখানে চারদিন লাগাতার অনেশনের পর বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অনশনরত অবস্থায় মেয়েটিকে তার বাবার জিম্মায় দেন। নিরুপায় হয়ে শুক্রবার গভীর রাতে মেয়েটি কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ওই ছাত্রী।

এ ব্যাপারে হোসনেয়ারার বড় ভাই জেলহক বলেন, প্রভাবশালী প্রতারক মাসুদের প্রেমের খপ্পরে পড়ে আমার বোন সব হারিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। আমরা ওই প্রতারকের বিচার চাই।

তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আসিফ মাহমুদ বলেন, মেয়েটি বর্তমানে সুস্থ আছে। তবে চিকিৎসা চলছে।

বাংলাদেশ সময়ঃ ১৯৪২ ঘণ্টা, ১৮ আগস্ট, ২০১৮
লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/আর