শুনানির ইচ্ছা অ্যাটর্নি জেনারেলের, রায় পেছাল খালেদার

ফাইল ছবি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে রায়ের সময় পিছিয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ মে) সকাল ৯টার পর খালেদা জিয়ার জামিন হবে কি, হবে না এ বিষয়ে রায় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এ মামলায় আবারও শুনানির ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

এজলাস শুরু হওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে বলেন, ‘আমার শুনানি আছে, আমি আবারও শুনানি করতে চাই।’

এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল আগামীকাল (বুধবার, ১৬ মে) শুনানির জন্য আদালতের কাছে সময় চান।

জবাবে আদালত বলেন, ‘আজ রায় দেওয়ার কথা। শুনানি কী করে হবে? তখন মাহবুবে আলম বলেন, ‘শুনানি দরকার।’

আদালত বলেন, ‘আগামীকাল আমাদের একজন বিচারপতি থাকবেন না। শুনানি যদি করতেই হয় তাহলে আজকেই করতে হবে।’

মাহবুবে আলম বলেন, ‘শুনানি করতে প্রস্তুতি লাগবে।’

আদালত বলেন, ‘ঠিক আছে দুপুর ১২টায় আসেন। তখন শুনানি হবে।’

মঙ্গলবার (১৫ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এর নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞে রায় হওয়ার কথা ছিল।

বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

গত ৯ মে এ মামলায় দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে আজ ১৫ মে মঙ্গলবার রায়ের জন্য দিন ঠিক করে দেন।

এর আগে ৮ মে এ মামলার শুনানি শুরু হয়। প্রথম দিনে দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ জে মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও অ্যাডভোকটে জয়নুল আবেদীনসহ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চারযুক্তিতে চার মাসের জামিন দেন। ওই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ নিয়মিত লিভ টু আপিল দায়ের করেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ১০৫৮ ঘণ্টা, ১৫ মে, ২০১৮