৪৬ কেন্দ্রের ফল: অর্ধেক ব্যবধানে এগিয়ে খালেক

কেন্দ্র দখল, ভোট জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আর শঙ্কা কাটিয়ে মঙ্গলবার (১৫ মে) বিকেলে ৪টায় শেষ হয় খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রে কেন্দ্রে শুরু হয় ভোটগণনা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নগরীর মোট ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৬টি কেন্দ্রের ফলাফল বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক নৌকা প্রতীকে ২৭ হাজার ৭৩৭ পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৩০০ ভোট।

এর আগে সকাল ৮টা থেকে একযোগে নগরীর ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

ভোট ঘিরে বড় কোনও সাংঘর্ষিক ঘটনা না ঘটলেও জালভোটের অভিযোগে এদিন দুপুর ১টার দিকে ৩০নং ওয়ার্ডের রুপসা হাইস্কুল ও রুপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দুটির ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইকবাল নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে বিএনপির তাঁবু ভাঙচুর ও কেন্দ্রে হট্টগোল হওয়ায় একটি বুথ এবং ২২নং ওয়ার্ডের ফাতেমা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের একটি বুথে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার-সমর্থকদের মধ্যে টুকটাক বাক-বিতণ্ডার ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তবে বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

উল্লেখ্য, এবারই প্রথম খুলনায় মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেয়র পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া নগরীর ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ জন এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবারের নির্বাচনে খুলনা সিটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ ও নারী ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন। ভোটকক্ষ ১ হাজার ১৭৮টি।

এ নির্বাচনে ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্র রয়েছে ২৫৪টি এবং ৩৫টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছিল পুলিশ। এবার মোট ভোটকক্ষ ছিল ১ হাজার ৫৬১টি। আর অস্থায়ী ভোট কক্ষ ৫৫টি। প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার ছিলেন ৪ হাজার ৯৭২ জন।

বাংলাদেশ সময়ঃ ২০৩০ ঘণ্টা, ১৫ মে, ২০১৮