বাংলাদেশকে দ্বিতীয় বাড়ি মনে হয় : পায়েল মুখার্জি

কলকাতার চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পায়েল মুখার্জি। মাইকেল, ফাঁস, চল কুন্তলসহ অনেক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এবার ‘ক্যাপ্টেন খান’ নামে বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করছেন। ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত ছবিটির দ্বিতীয় ধাপের শুটিং ২৬ মে থেকে কক্সবাজারে শুরু হয়েছে। শুটিংয়ে অংশ নিতে ২৫ মে রাতে বাংলাদেশে এসেছেন এই অভিনেত্রী। এ নিয়ে তৃতীয়বার বাংলাদেশে এলেন তিনি। কক্সবাজারে শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার আগে ঢাকায় বসে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন পায়েল।

এর আগেও তো এসেছিলেন বাংলাদেশে…

হ্যাঁ। ২০১৬ সালে ‘শেওলা’ নামে একটি ছবিতে ফেরদৌসের বিপরীতে কাজ করতে বাংলাদেশে এসেছিলাম। কুমিল্লায় কিছুদিন শুটিংও হয়েছিল। এরপর শুটিং বন্ধ। মাঝে ওমানে একটি স্টেজ শো করতে যাওয়ার আগে মহড়া করতে বাংলাদেশে আসা হয়েছিল।

বাংলাদেশ কেমন লাগে?

বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের সংস্কৃতি থেকে শুরু করে প্রায় সবকিছুই কলকাতার মতো। মাঝে শুধু একটা কাঁটাতারের বেড়া। এতটুকুই। বাংলাদেশকে আমার দ্বিতীয় বাড়ি মনে হয়। তা ছাড়া আমার নানা-নানির বাড়ি বাংলাদেশেই ছিল। খুলনার একটি গ্রামে। মায়ের জন্মও বাংলাদেশে।

‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবি নিয়ে বলুন।

চিত্রনাট্যটি পড়ে কাজটি করছি। আমার চরিত্রটি বেশ ভালো। আশা করছি, ভালো কিছু হবে। গল্পটার অনেক টুইস্ট আছে। কক্সবাজারে ১০ দিন শুটিং করার কথা আছে। বাকি কাজ হবে ঢাকায়। আশা করছি ঈদের আগেই ছবিতে আমার কাজ শেষ হয়ে যাবে।

এই ছবিতে কাজের সুযোগ হলো কীভাবে?

দু-তিন বছর ধরে কলকাতার ছবিতে কাজ করছি। বাংলাদেশের ছবিতে কাজ করার খুব ইচ্ছা ছিল। চেষ্টাও করছিলাম। এর মধ্যে কলকাতার এক পরিচালক দাদার মাধ্যমে এই ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার সেলিম খানের সঙ্গে পরিচয় হয়। সঙ্গে পরিচালক উত্তম আকাশও ছিলেন। আলাপ-আলোচনার পর আমাকে ছবিতে নেওয়া হয়।

একই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ‘বয়ফ্রেন্ড’ ছবির নায়িকা হলেন…

হ্যাঁ। বয়ফ্রেন্ড ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। এখানে আমার বিপরীতে অভিনয় করবেন তাসকিন রহমান। আমি ভাগ্যবান যে একটি ছবির কাজ শুরু না করতেই একই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের আরেকটিতে কাজের সুযোগ পেয়েছি।

বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করতে এলেন, বাংলাদেশি সিনেমা দেখেন?

না, মানে তেমন একটা দেখা হয় না। যৌথ প্রযোজনার শিকারি ছবিটি হলে গিয়ে দেখেছিলাম। তা ছাড়া কলকাতায় বাংলাদেশি ছবি দেখার সুযোগও কম।

বেশ কিছুদিন ধরে কলকাতার নায়িকারা বাংলাদেশমুখী। কলকাতার সিনেমার দিন কি ভালো যাচ্ছে না?

বিষয়টি ঠিক তা নয়। আমার কাছে মনে হয়, কাজের সুযোগ হওয়ার কারণে কলকাতার নায়িকারা এখানে এসে কাজ করছেন। তা ছাড়া দুই বাংলার শিল্পীরা মিলেমিশে কাজ করলে আমাদের সিনেমাই সমৃদ্ধ হবে।

এর আগে এখানে কাজ করতে এসে ওয়ার্ক পারমিট না থাকার কারণে ভারতের বেশ কয়েকজন শিল্পীকে পুলিশি হেফাজতেও যেতে হয়েছিল। আপনার সেই ঝামেলা নেই তো?

ওয়ার্ক পারমিট নিয়েই এসেছি। চাইলে এখনই দেখাতে পারি।   ইন্টারভিউ সৌজন্যেঃ প্রথম আলো  

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৪ ঘণ্টা, ৩০ মে, ২০১৮
লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/এন