সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ ২৯১ রানের লক্ষ্য দিলো

সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ ২৯১ রানের লক্ষ্য দিলো
ক্রিকইন্ফো থেকে সংগৃহীত ছবি

শুরুতে দারুণ ব্যাটিং, মাঝপথে কিছুটা ছন্দপতন ও শেষে আবার ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার চেষ্টা- এই করেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেটে ২৯০ রানের পুঁজি গড়েছে। ব্যাটিং ইউনিটের সবারই ছোট-বড় অবদানে স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়েছে টাইগাররা; যাতে ছিল মাহমুদউল্লাহ ও তামিম ইকবালের অর্ধশতক।

হারারে স্পোর্টস গ্রাউন্ডে জিততেই হবে এমন সমীকরণ সামনে রেখে টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। তামিম ইকবালের ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে দারুণ সূচনা পায় টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের স্ট্রাইক বোলারদের দারুণভাবে সামলে রান রেট ৬ এর বেশি নিয়েই ব্যাট করতে থাকেন দুই ওপেনার তামিম ও এনামুল হক। কিন্তু অর্ধশতক পূর্ণ করার পরই চিভাঙ্গার বলে কাইতানোর হাতে ধরা পড়লে থামে তামিমের ৪৫ বলে ৫০ রানের ঝলমলে ইনিংস। তবে এনামুল হক বিজয়ের ইনিংসটা থেমেছে কিছুটা দুর্ভাগ্য ও কিছুটা মনোসংযোগের অভাবে। নাজমুল হোসেন শান্তর স্ট্রেইট ড্রাইভ বোলার চিভাঙ্গার হাতে লেগে স্ট্যাম্প যখন ভেঙে দেয় তখন এনামুল বিজয় ছিলেন ক্রিজের বাইরে।

এরপর নাজমুল শান্তকে নিয়ে ভালোই খেলছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু প্রিয় শট স্লগ সুইপ করতে গিয়ে আবারও আত্মাহুতি দেন মুশি। আর এতেই ভাঙে মুশফিক ও শান্তর ৬৪ বলে ৫০ রানের জুটি। এরপর ব্যক্তিগত ৩৭ রানে মাধভেরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নাজমুল শান্ত। এরপর আফিফ ও মাহমুদউল্লাহর জুটির শুরুটা মন্থর হলেও পরবর্তিতে ইনিংসে প্রাণ সঞ্চার করেন তারা। বলের সাথে রানের গতির সামঞ্জস্য রেখে খেলে যাওয়া আফিফ করেছেন ৪১ বলে ৪১ রান। পঞ্চম উইকেট জুটিতে এই দুই ব্যাটার জুড়েছেন ৮২ বুলে ৮১ রান।

আফিফের বিদায়ের পর ১২ বলে ১৫ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন মেহেদী মিরাজ। তবে টাইগারদের ইনিংসকে টেনে নিয়ে গেছেন মাহমুদউল্লাহ। বাউন্ডারির ফুলঝুরি না থাকলেও অভিজ্ঞ এই মিডলঅর্ডার ব্যাটারের অ্যাঙ্করিংয়ের ভূমিকায় ইনিংস শেষে বোলারদের জন্য বড় সংগ্রহই গড়েছে বাংলাদেশ। ৮৪ বলে ৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। তার ইনিংসে ছিল ৩টি করে বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারি।

আগের ম্যাচে দুর্বল ফিল্ডিং ও দিশেহারা বোলিংয়ে তিনশোর বেশি স্কোরও নিরাপদ থাকেনি। এই ম্যাচে এক পর্যায়ে সাড়ে তিনশো রানের সম্ভাবনা জাগিয়েও তিনশো রানের ল্যান্ডমার্কই পার হতে পারেনি তামিম ইকবালের দল। বোলারদের কাছ থেকে তাই ভালো কিছুরই প্রত্যাশা থাকবে বাংলাদেশের। ম্যাচ হারলেই যে হাতছাড়া হবে সিরিজটাই!