দুইশ’ ছাড়িয়েই থামল বাংলাদেশ

দ্বিতীয় টেস্টেও ভালো শুরু করেন দুই চট্টগ্রামের ছেলে তামিম-সাদমান। দু’জনে ৭৫ রানের জুটি গড়েন। এরপর ২৭ রান করে ফিরে যান সাদমান। পরে দলের রান একশ’ পেরোতেই ফেরেন মুমিনুল (১৫) ও মিঠুন (৩)। মধ্যাহ্ন বিরতির পরই দলকে ভরসা দেওয়া তামিম ফেরেন ৭৪ রান করে। এরপর দলের রান দুইশ’ পেরোতেই অলআউট বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে তারা করতে পেরেছে মাত্র ২১১ রান।

মুমিনুল এবং মিঠুনের আউট দলের জন্য দারুণ হতাশার। দারুণ কাকতাল। নেইল ওয়াগনারের বলে দু’জনেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। পরে রিভিউ নেয়ে বেঁচে যান দু’জনই। ঠিক পরের বলেই  উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তারা। দৃষ্টিকটু আউট! তামিম-সৌম্যর আউটগুলোও বলছে, তাড়া-হুড়ো করে আউট হয়েছেন তারা। দলের হয়ে সৌম্য (২০) ও লিটন (৩৩) ভালোর ইঙ্গিত দিয়ে আউট হন।

কিউইদের হয়ে ওয়াগনার নেন ৪ উইকেট। বোল্ট দখল করেন তিন উইকেট। এছাড়া সাউদি একটি এবং কলিন ডি গ্রান্ড হোম ও ম্যাট হেনরি একটি করে উইকেট নেন।

বৃষ্টির কারণে প্রথম দু’দিন বেসিন রিজার্ভে টসই হয়নি। সেই হতাশার চেয়ে টস বেশি ধাক্কা হয়ে এসেছে মাহমুদুল্লাহদের জন্য। কারণ দু’দিনের বৃষ্টিতে ভেজা উইকেটে টস হেরে ব্যাট করতে হয় বাংলাদেশ দলকে। সামলাতে হয় কিউই বোলারদের দুর্দান্ত পেস-বাউন্সের সঙ্গে সুইং।

ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভের উইকেট এমনিতেই সবুজ। তার ওপরে দু’দিনের বৃষ্টিতে তা আরও সবুজ হয়ে উঠেছে। উইকেটে আছে আদ্রতা। পিস রিপোর্ট অনুযায়ী, উইকেট বোলিং সহায়ক সত্যি। তবে কিছুটা স্লোও। বাংলাদেশ দল তাই মানিয়ে নিয়ে দেখে শুনে খেলতে পারলে ভালো করা অসম্ভব হবে না।

বাংলাদেশ দল এ ম্যাচে দুই পরিবর্তন নিয়ে নেমেছে। মুস্তাফিজুর রহমানের ফেরা অবধারিত ছিল। খালেদ আহমেদকে বসিয়ে রাখা হয়েছে। দলে ফিরেছেন মেহেদি মিরাজের জায়গায় বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এছাড়া ইনজুরির শঙ্কায় থাকা তামিম আছেন দলে। তবে মুশফিক ইনজুরি কাটিয়ে ফিরতে পারেননি। সবুজ উইকেট পেয়ে পাঁচ পেসার নিয়ে নেমেছে কিউইরা। স্পিনার টোড অ্যাস্টলের বদলে দলে ম্যাট হেনরি।