স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছে না চট্টগ্রামের প্রায় শিল্প প্রতিষ্ঠান!

মানুষের অসচেতন চলাফেরা ছবিঃ মোঃ ইফতেখার

মোঃ ইফতেখার (চট্টগ্রাম প্রতিনিধি): মহামারী থেকে দেশের মানুষকে সুরক্ষা রাখতে বাংলাদেশ সরকার আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে।এর আওতায় গার্মেন্টস মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ দেশের সকল গার্মেন্টস সাময়িকভাবে বন্ধের আহ্বান জানান।এদিকে বিকেএমইএ গত বুধবার এক চিঠিতে বলে মানুষ বাঁচলে শিল্প বাঁচবে এবং শিল্প বাঁচলে দেশ সমৃদ্ধ হবে। এজন্য সারাদেশে সকল গার্মেন্ট বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেয়।

তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে চট্টগ্রামে বায়েজিদ থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ গার্মেন্টস মালিকরা ২৫ মার্চ হতে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত গার্মেন্টস ছুটির ঘোষণা দেয়।

অথচ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আইইডিসিআর এর প্রণীত স্বাস্থ্য নীতির কোনরকম তোয়াক্কা না করেই চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানা,ইপিজেড সহ চট্টগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে অধিকাংশ গার্মেন্টস চালু রয়েছে।এদিকে শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,তারা তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে ছুটি ঘোষণার দাবি করলেও তাদেরকে ছুটি দেওয়া হচ্ছে না।এরমধ্যে যোগ হয়েছে বনফুল এন্ড কোং, আবুল খায়ের কনজিউমারস লিমিটেড, বেখারী সহ দেশের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানও।

যেখানে শ্রমিকদের মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব নেই, নেই স্বাস্থ্য সচেতনতাও !একারনে দেশের বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলোতে পর্যাপ্ত তদারকির প্রয়োজন রয়েছে।

এ ব্যাপারে বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রীতম সরকার জানান,আমরা ইতিমধ্যে সচেতনতার চেষ্টা করছি নিয়মিত মাইকিং করছি এলাকাগুলোতে।আমরা সেসব গার্মেন্টস গুলোতে যাব, খোঁজ খবর নিয়ে দেখবো এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা মানছেন কিনা প্রয়োজনে ফ্লোর গুলোতে গিয়ে দেখবো।এ ব্যপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়ে আপনাকে জানাবো।