পাকিস্তান ক্রিকেটে কেউ সৎ নয় দাবি সালমান বাটের

ছবিঃ সংগৃহীত

ম্যাচ পাতানো নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটাররা যেকোন দেশের চেয়ে বরাবরই একটু এগিয়ে। তাদের এমন কর্মকান্ডের জন্য অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অকালেই ক্যারিয়ার শেষ হয়েছে। সম্প্রতি ম্যাচ পাতানো নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে পাকিস্তানের ক্রিকেট মহলে। সেই বিতর্কটা শুরু করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক জাভেদ মিয়াঁদাদ। স্থানীয় একটি সংবাদ মাধ্যমে তিনি ম্যাচ পাতানো ক্রিকেটারদের ফাঁসি হওয়া উচিত। এরপর থেকেই বিতর্ক আরও বেড়ে যায়। ম্যাচ পাতানোর জন্য শাস্তি পাওয়া সাবেক ওপেনার সালমান বাট মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তান ক্রিকেটে কেউ সৎ নয়

তিনি আরো বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না কেন এই ইস্যু নিয়ে কথা বলতে হবে এবং এ নিয়ে কারো মতামত দিতে হবে, কারণ এর কোনো মানে নেই। মূলকথা হলো, আইসিসি এবং পিসিবি যেহেতু এসব আইন তৈরি করে, তাই তাদেরকেই এসব নিয়ে কথা বলা উচিত। ব্যক্তিগতভাবে কেউ তো আইন তৈরি করে না। তবে তারা কেন এই ইস্যুতে কথা বলবে?’

এরপর পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের সততা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বাট। তিনি বলেন, ‘আমি অনেক খেলোয়াড়ের কথা জানি যারা বোর্ডের সাথে ও নির্বাচকদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে দলে সুযোগ পেয়েছে। এমন অনেকেই আছে যারা আহামরি পারফরম্যান্স না করতে পারলেও বারবার দলে ডাক পেয়েছে। তবে কি এগুলো দুর্নীতি নয়?’

দুটি প্রশ্ন যাদের জন্যই বাট ছুঁড়ে দেন না কেন, নিজেই ঐ দু’টি প্রশ্নের উত্তর আকার-ইঙ্গিতে দিয়েছেন বাট। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান ক্রিকেটে ‘সততা’ নিয়ে কথাই বলা উচিত নয়। কারন পাকিস্তান ক্রিকেটে কেউই সৎ নয়।’

বাট ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে টেস্টে ম্যাচ পাতানোর দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৫ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হলেও এখনও জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি তিনি।

তবে পিএসএল এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরেছেন বাট। ২০১৬ সালে দলে সুযোগের সম্ভাবনা ছিলো তার। তৎকালীন কোচ ওয়াকার ইউনিস দলে নিতে চেয়েছিলেন বাটকে। কিন্তু তৎকালীন ওয়ানডে ও টি-২০ অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদির বিরোধিতায় তা আর সম্ভব হয়নি।