মিরাজের প্রথম সেঞ্চুরির উপর ভর করে টাইগারদের বড় সংগ্রহ

টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ

টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। এতে তার অসাধারণ ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে দলীয় ৪০০ রানের গণ্ডি পার করেছে বাংলাদেশ টাইগাররা। মূলত মেহেদি হাসান মিরাজের লড়াকু ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে এই স্কোর করতে পারলো বাংলাদেশ।

এর আগে ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে ৫ উইকেট হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু হওয়ার মাত্র দুই ওভার পরই সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। লিটনকে ফেরান জোমেল ওয়ারিকান। দ্বিতীয় দিন ঝুলিতে মাত্র ৪ রান যোগ করেন তিনি। এ নিয়ে ৬৭ বলে ৬ চারে মোট ৩৮ রান করেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

লিটন দাসের আউটের পর সাকিব আল হাসান ও মেহেদি হাসান মিরাজের ব্যাটে দলীয় ৩০০ রান পার করে বাংলাদেশ। এরপর দলীয় ৩১৫ রানের মাথায় বিদায় নেন সাকিব আল হাসান। তাকেও ফেরান রাকিম কর্নওয়াল। বিদায়ের আগে ১৫০ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন এই অলরাউন্ডার। এ নিয়ে সাদা পোশাকে ২৫তম ফিফটি করলেন সাকিব। এই ইনিংসের মধ্যে দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ২ বছর ২ মাস পর হাফসেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি। সাকিব সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর ঢাকার মাঠে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই ৮০ রানের একটি ইনিংস খেলেছিলেন।

তার বিদায়ের পর হাফসেঞ্চুরির দেখা পান মেহেদী হাসান মিরাজ। নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি ছিল তার তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি। ৯৯ বলে ফিফটি করেন এই ডানহাতি। ওয়ারিক্যান-কর্নওয়ালদের অসহায় বানিয়ে সেঞ্চুরি হাঁকালেন তিনি। ১৬০ বলে এ শতকের ইনিংস খেলেন মিরাজ। ১৩ বাউন্ডারিতে এ শতক সাজিয়েছেন তিনি। কিন্তু সেঞ্চুরির পর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাকে বিদায় করেন রাকিম কর্নওয়াল। ফেরার আগে মেহেদি করেন ১৬৮ বলে ১০৩ রান।

শেষ পর্যন্ত ১৫০.২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৪৩০ রান করে টাইগাররা। দলের পক্ষে নাঈম হাসান ২৪ ও তাজুল ইসলাম ১৮ রান করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ৪ উইকেট নেন জোমেল ওয়ারিকান। রাকিম কর্নওয়াল নেন ২ উইকেট।