মিলার-মরিসের ব্যাটে রাজস্থানের জয়, মোস্তাফিজের ২ উইকেট

মোস্তাফিজের ২ উইকেট

রাজস্থান রয়্যালস জয়দেব উনাদকাট ও মোস্তাফিজুর রহমানদের দারুণ বোলিংয়ের পরও ম্যাচে হার দেখছিল। তবে ডেভিড মিলার ও শেষদিকে ক্রিস মরিসের ঝড়ো ব্যাটে রাজস্থান দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়েছে ৩ উইকেটে।

এদিন সঞ্জু স্যামসনের দল নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম জয় তুলে নিল। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) আইপিএলের ১৪তম আসরের সপ্তম ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করা দিল্লি নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে করে ১৪৭ রান। জবাবে ইনিংসের ২ বল বাকি থাকতে রাজস্থান ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫০ করে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।

১৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩৬ রানে টপঅর্ডারের ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে রাজস্থান। তবে ম্যাচের হাল ডেভিড মিলার ধরলেও অন্য প্রান্তে উইকেট পড়তে থাকে। দেখেশুনে খেলতে থাকা প্রোটিয়া হিটার মিলার দলের ভালো সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ব্যক্তিগত ৬২ রানে ফেরেন। আবেশ খানের বলে আউট হওয়ার আগে তিনি ৪৩ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান।

তবে শেষদিকে উনাদকাটের সঙ্গে ২৩ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দেন মরিস। দক্ষিণ আফ্রিকান এই অলরাউন্ডার ১৮ বলে ৪টি ছক্কায় ৩৬ রানে অপরাজি থাকেন। ৭ বলে ১১ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন উনাদকাট। মাঝে রাহুল তেওয়াটিয়ার ব্যাট থেকে ১৭ বরে ১৯ রান আসে।

দিল্লি বোলারদের মধ্যে আবেশ খান সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট পান। এছাড়া ক্রিস ওকস ও কাগিসো রাবাদা ২টি করে উইকেট দখল করেন।

টস হেরে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উনাদকাটের তোপে দিশেহারা হয়ে পড়ে দিল্লির ব্যাটসম্যানরা। টপঅর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান পৃথ্বী শ, শিখর ধাওয়ান ও আজিঙ্কা রাহানেকে তুলে নেন এই বাঁহাতি। এরপর ঝলক দেখান মোস্তাফিজও। তিনি মার্কাস স্টোইনিস ও টম কারানকে মাঠ ছাড়া করান। দলটির ব্যাটিংয়ে সর্বোচ্চ ৩২ বলে ৫১ করে রান আউট হন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেন কারান।

রাজস্থান বোলার উনাদকাট ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট দখল করেন। ম্যাচ সেরার পুরস্কারও তার হাতে ওঠে। বাংলাদেশ তারকা মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ২৯ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট পান। এছাড়া মরিস একটি উইকেট নেন।