ঢাকা শহর হবে শান্তির জনপদ: ইশরাক হোসেন

Israq Hossain

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন আহ্বান জানিয়ে, পুলিশ প্রশাসনকে জনগণের পক্ষ হয়ে কাজ করতে বলেছেন। তিনি বলেন, ঢাকা শহর হবে শান্তির জনপদ। এখানে কোন সন্ত্রাসীর স্থান হবে না। আজ বুধবার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রচারণার ১৩তম দিনে পশ্চিম হাজারীবাগের ঝাউচর বাজার থেকে দিনের কর্মসূচি শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।

ইশরাক হোসেন বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতে গতকাল উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের প্রচারণায় ন্যাক্কারজনকভাবে হামলা চালানো হয়েছে। ২৪ ঘন্টার বেশি হতে চললো, কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার হতে দেখলাম না। তিনি পুলিশ-প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনাদের ওপর জাতীয় গুরুদায়িত্ব রয়েছে, সেটা পালন করুন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও আপনাদের উপর যে সাংবিধানিক দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেটা নির্ভয়ে পালন করুন। জনগণের পক্ষ হয়ে কাজ করুন, জনগণ আপনাদের পাশে থাকবে।

অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদের হোসেন খোকার জ্যেষ্ঠ পুত্র ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, আজকে এ শহরটাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এই ধ্বংসাত্মক অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের একটা পরিবর্তন দরকার। আগামী পহেলা ফেব্রুয়ারি নগরবাসির জন্য একটা সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের অঙ্গীকার ছিল জনগণ হবে ক্ষমতার মালিক, জনগণ হবে রাষ্ট্রের মালিক। সেই অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, আজকে যারা ক্ষমতাসীন আছেন তারা এই দেশটাকে দখল করে রাখছেন। অন্য যারা আছে তাদের কোন কথা বলার অধিকার নেই, বাকস্বাধীনতা নেই, ভোটের অধিকার নেই। ৩০ লাখ শহীদের বিনিময়ে অর্জিত একটা স্বাধীন দেশে এটা দীর্ঘদিন চলতে পারে না, আর আমরা মানবো না।

বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষ প্রতীকের গণসংযোগে ও সভা-সমাবেশে বাধা দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে ইশরাক হোসেন বলেন, আজকেও এখানে আসার আগে আমাদের প্রচারণায় বাধা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমি সংশিষ্টদের সতর্ক করে বলে দিতে চাই, আমি ইশরাক হোসেন একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। কোন ষড়যন্ত্র বাধা আমরা মানবো না। ঢাকা শহর হবে শান্তির জনপদ। এখানে কোন সন্ত্রাসীর স্থান হবে না। এই দেশটা আমাদের সবার। আমরা কারো জমিদারিত্ব মানবো না।

এর আগে সকাল ১১টা থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ঝাউচর বাজারে একত্রিত হন। এসময় তারা খালেদা মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান ও ধানের শীষে ভোট চান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবীব-উন নবী খান সোহেল, বিএনপি নেতা মীর সরাফত আলী সপু, কাজী আবুল বাশার সহ বিপুল সংখ্যক কর্মী সমর্থক।