দেশে সবাই খেতে পারছে, সবার গায়ে জামা-কাপড় আছে: সমবায় মন্ত্রী

দেশে সবাই খেতে পারছে, সবার গায়ে জামা-কাপড় আছে: সমবায় মন্ত্রী
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম - পুরোনো ছবি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘দেশের গ্রাম-গঞ্জের কোনো মানুষ না খেয়ে নেই। প্রত্যেক মানুষ খেতে পারছে। সবার গায়ে জামা-কাপড় আছে।’

তিনি আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষ কষ্টে থাকুক এটা বঙ্গবন্ধু কখনো চান না। জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করেছেন এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করে হাসি ফোটানোর জন্য। সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করছেন শেখ হাসিনা।’

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এই যুদ্ধের কারণে সারাবিশ্বে এখন টালমাটাল অবস্থা। অর্থনীতি, সামাজিক অবস্থা এবং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসহ সবকিছু নিয়ে মানুষ আতঙ্কিত। এখন আবার তাইওয়ান-চীন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সেটির প্রভাব কিন্তু সারাবিশ্বে পড়বে। পৃথিবীতে কী হতে যাচ্ছে ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন।’

‘ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের অনেক দেশ গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানির ক্ষেত্রে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। ফুয়েল উৎপাদনে প্রথম হচ্ছে ভেনিজুয়েলা, এরপর সৌদি আরব এবং তৃতীয় অবস্থানে রাশিয়া। যুদ্ধের কারণে এসব দেশ তেল সরবরাহ করতে না পারায় সারাবিশ্বেই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের দেশও এর বাইরে নয়,’ যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সবক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়া যায় না। ভর্তুকি দিয়ে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। সরকার কাকে ভর্তুকি দেবে? ধনীকে না গরীবকে? সবখানে ভর্তুকি দিলে অন্য খাতগুলো শৃঙ্খলা হারাবে। ভর্তুকি কোথায় দিতে হবে সরকার সেটি অ্যানালাইসিস করে তারপর দেয়।’

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থায়নের আগ্রহ প্রকাশ করছে। আমাদের দেশের অবস্থা এতো খারাপ হলে তারা তো আমাদের সহযোগিতা করতো না। একটি গ্রুপ বলে বাংলাদেশ নাকি শ্রীলঙ্কা হবে। কেন হবে? শ্রীলঙ্কা কি করেছে আর আমরা কি করছি? ভয়ের কোন কারণ নেই। আমাদের একজন শেখ হাসিনা আছেন।’

নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অমিতোষ পালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল মামুনের সঞ্চালনায় সংলাপে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি হিসাবে গোলাম রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক, ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রিয়াজুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।