স্বামীর ‘পরকীয়া’ ফাঁস করলেন মিলা!(ভিডিও)

কিছুদিন আগেই স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ এনে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন কণ্ঠশিল্পী মিলা। একই সঙ্গে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ আনেন তিনি।

বর্তমানের মিলার করা মামলায় জেলহাজতে তার স্বামী পাইলট পারভেজ সানজারি। এরপরই মিলার স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এসব অভিযোগ মিথ্যা। তাদের পাল্টা অভিযোগ, তারকা খ্যাতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন মিলা। এমনকি সানজারির কাছের মানুষেরা সঙ্গীতশিল্পী মিলার এমন অভিযোগে তারা বিস্মিত হন বলে খবর প্রকাশ হয়।

তবে মিলা প্রথম থেকে তার স্বামী সানজারির বিরুদ্ধে যে পরকীয়ার অভিযোগ করে আসছিল সেটার একটা প্রমাণ দিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী নিজেই। মিলা তার ভেরিফাইড পেজে স্বামীর ফেসবুক চ্যাটিংয়ের স্ক্রিন শট প্রকাশের মাধ্যমে তিনি বিষয়টা স্পষ্ট করেছেন। প্রায় ৮৬টি স্ত্রিন শট তিনি ফেসবুকে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে তার স্বামীর সঙ্গে মোবাইলে যে কথপোকথন হয়েছে সেই কথা রেকডিং করে ও স্ক্রিনশট দিয়ে একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। ৭ মিনিটের সেই ভিডিও’র কথোপকথনের পাশাপাশি মিলা ওই ভিডিও’র একটি ক্যাপশনও দিয়েছেন।

মিলা লেখেন, ‘আমার বিয়ের ১৮তম দিনে কথা বার্তা বলতে গিয়ে আমার স্বামী অন্য অনেক নারীর সঙ্গে তার পরকীয়ার ব্যাপারে ধরা খেয়ে যায়। ”

”কেন আমি এসব ১০ বছরেও তার এই বিষয়টা জানতে পারলাম না? ভাল, স্বামীর অনেক বিষয় আছে যা স্ত্রী একদিনে বুঝে ফেলতে পারে। কিন্তু একজন প্রেমিকা সেটা ১০০ বছরেও বুঝতে পারে না। আমার স্বামী যখন দেশের বাইরে যায়, আমি আমার মেইল চেক করার জন্য তার কম্পিউটার চালু করি। আমি দেখতে পাই আমার স্বামীর ফেসবুক লগ ইন করা। যেটার এক্সেস ও (সানজারি) আমাকে কোনদিন দেয় নাই। এবং এমনকি আমি তার ফ্রেন্ড লিস্টেও ছিলাম না। কারণ সে প্রাইভেসি মেইন্টেইন করতে চাইতো। যখন আমি তার সম্পর্কে ভয়ংকর সব তথ্য পাই, হ্যাঁ এই ১৩ দিনে আমি তার সম্পর্কে যা জানতে পারলাম, সেটা ১০ বছরেও জানতে পারিনি। আশা করি আপনারা এখন সব বুঝতে পেরেছেন!”

মিলা ও তার স্বামীর কথোপকথন শুনতে ভিডিওটিতে ক্লিক করেন।

the gift i got after 11 years !!

And the conversation on 18th day of my marriage after my dear husband got caught with his POROKIAZ with lots of different women:Why did i not know this side of him for 10 years? Well, there are many things a wife can know about her husband in a day that a girlfriend can't know in a hundred years. When my husband was away on a course out of country, I opened his pc to check my mails and he was logged into his facebook account, jetar access amake o konodin dei nai and nor was I on his friend's list because he wanted to maintain privacy. That's when I came across these horrific details about this man, yes, in 13 days that I couldn't find out in 10 years. hope its all clear now !!! ?

Posted by MiLa on Tuesday, October 17, 2017

বাংলাদেশ সময়: ১০৩০ ঘণ্টা, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭
লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/নীল