Home ফ্রম এডিটর্স ঢাকায় হচ্ছে নতুন 'হাতিরঝিল'

ঢাকায় হচ্ছে নতুন ‘হাতিরঝিল’

- Advertisement -

রাজধানী ঢাকায় হতে যাচ্ছে নান্দনিক আরেকটি ‘হাতিরঝিল’। রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানী-বারিধারার লেক ঘিরে নতুন এ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকা এ প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে ‘গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক উন্নয়ন প্রকল্প’।

৪ হাজার ৮৮৬ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এ প্রকল্পটি হাতিরঝিলের আদলেই গড়ে তোলা হবে বলে জানা গেছে। শুরুতে এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিলো মাত্র ৪১০ কোটি ২৬ লাখ টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে একটি সংশোধিত প্রস্তাবে প্রকল্পের মোট ব্যয় বাড়ানো হয়। আজ বৃহস্পতিবার এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে।

- Advertisement -

গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক প্রকল্পে থাকবে ব্রিজ, ওয়াকওয়েসহ বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। এর মধ্যে গুলশান, বনানী, বারিধারা, বাড্ডা, শাহজাদপুর ও নিকেতন এলাকায় ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের নয়টি দৃষ্টিনন্দন সেতু নির্মাণ করা হবে।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৮০ দশমিক ১০ একর ভূমি অধিগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ভূমি অধিগ্রহণেই প্রকল্পের মোট ব্যয়ের থেকে দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। পরবর্তীতে লেকের পাড়ের জমি কেউ যাতে নিজের বলে দাবি না করতে পারে এই লক্ষ্যেই তারা আগাচ্ছেন।

প্রকল্পের আওতায় গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক উদ্ধার, লেকের পানি ধারণ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার এবং পানির গুণগত মান রক্ষাসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

নয়টি সেতুর মধ্যে গুলশান ও বাড্ডার মধ্যে একটি, গুলশান-২ থেকে বারিধারা যেতে একটি, শাহজাদপুরের ঝিলপাড়ে একটি, বনানী থেকে গুলশান-২ নম্বরে যেতে একটি, গুলশান-১ নম্বরের কাছে একটি, পুলিশ প্লাজা থেকে নিকেতন এবং বনানী থেকে গুলশান-২ নম্বরে যেতে একটি এবং নিকেতনে বিদ্যমান সেতুটি ভেঙে বড় সেতু তৈরি করা হবে। সেগুলোর ওপরে চারটি ওভারপাস তৈরি করা হবে।

পুরো প্রকল্পে থাকবে ২৪ হাজার ৬২২ দশমিক ১৬ মিটার রানিং মিটার ওয়াকওয়ে, ২ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ মিটার ওয়াকওয়ে এবং ১১ হাজার ৬৪ মিটার ড্রাইভওয়ে। দেড় হাজার রানিং মিটার তীর সংরক্ষণ করা হবে। তীর ও আশেপাশে লাগানো হবে তিন হাজার গাছ। এছাড়া ২ হাজার ৪৮০ মিটার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় তিনটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। ফলে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও বাড্ডা এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনারও ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে।

- Advertisement -