‘আয়নাবাজি’তে আমি ১ টাকাও নেইনি: নাবিলা

অমিতাভ রেজা চৌধুরী পরিচালিত বাংলা ছবি ‘আয়নাবাজি’। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত ছবিগুলোর মধ্যে একটি। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী ও মাসুমা রহমান নাবিলা। যেহেতু এই ছবিটি আলোচিত, সেহেতু অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পারিশ্রমিক বিষয়টা মুখ্য। প্রশ্ন হতে পারে, কে কত টাকা পেয়েছেন বিখ্যাত এই ছবিতে অভিনয় করে? আলোচিত এই ছবিতে পারিশ্রমিকের বিষয়টা অনেক বড় হতে পারে। এটা সকলের ধারণা হতে পারে।

বলতে পারে চঞ্চল চৌধুরীর পারিশ্রমিকটা অনেক বেশী হবে আর অভিনেত্রী নাবিলার পারিশ্রমিকটাও অনেক বেশী হবে? তবে যদি বলা হয়, এই ছবিতে অভিনয় করে এক টাকাও নেননি নাবিলা। হয়ত, এই কথাটা শুনে আপনি অবাক হবেন। তবে এটাই সত্য। নাবিলা নিজেই জানালেন সেই সত্যটা।

নাবিলা বললেন- ‘খুবই ইন্টারেস্টিং কিছু ফ্যাক্টস আমি মাঝে মাঝেই পড়ি ফেসবুক আর এখানে-ওখানে, নাবিলা ‘আয়নাবাজি’-তে এত এত টাকা নিয়েছে। চঞ্চল চৌধুরী এত টাকা নিয়েছেন। একটা জায়গায় গিয়ে একবার মজার একটা তথ্য শুনলাম যে, আমি নাকি এই ছবিতে অভিনয় করার জন্য ৬৫ লাখ টাকা নিয়েছি!

নাবিলা আরও বলেন, অ্যান্ড সাম পিপল ইন ফ্যাক্ট বিলিভ দ্যাট আমি নিয়ে থাকতেই পারি। বাট ইটস নট ট্রু অ্যাট অল। সত্যি কথা হচ্ছে- ‘আয়নাবাজি’-তে অভিনয়ের জন্য আমি ১ টাকাও নিইনি। ছবিটিতে সাইন করার সময়ই তাদের আমি বলেছিলাম, আমি আসলে এটাকে একটা লার্নিং প্রসেস হিসেবে দেখছি। অ্যাট দ্য সেম টাইম আমি জানতাম যে, এই প্রসেসটা আমি অনেক এঞ্জয় করব। এবং সেটাই হয়েছে। ৩ মাস ‘আয়নাবাজি’র শুটিংয়ে আমি এতকিছু শিখেছি, এতকিছু পেয়েছি যে, ওটা কোনোভাবেই টাকা দিয়ে পাওয়া যাবে না বা টাকার হিসেবে আমি আনতে পারব না। অ্যান্ড পোস্ট ‘আয়নাবাজি’ও আই গট সাম রিকগনিশন, লটস অব লাভ।

তিনি বলেন, এই যে সবার এত ভালোবাসা আর লার্নিং প্রসেস- এগুলো তো টাকা দিয়ে পাওয়া যায় না। এজন্যই আই নেভার ক্লেইমড এনি মানি ওর নাথিং লাইক দ্যাট- ‘আয়নাবাজি’-তে অভিনয়ের জন্য আমি কখনোই কোনো টাকা চাইনি। এটা নিয়ে আমার কোনো আফসোসও নাই। অনেকেই যখন বলে যে অমিতাভ ভাই কি আমাকে কোনোকিছু গিফট করেছে? আমি বলি ফিল্মটাই তো গিফট করেছে আমাকে!’

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৮ ঘণ্টা, ০৭  ডিসেম্বর, ২০১৭

লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/কেএসপি