অস্ত্র মামলায় মোহাম্মদ সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ, সংগৃহীত ছবি

বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা একটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ গত ২০ সেপ্টেম্বর মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য ২৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। এই মামলায় গত ২৭ আগস্ট সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

করোনার চিকিৎসার নামে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে তাকে ঢাকায় আনা হয়। করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় পরদিন সাহেদকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালত। এরপর তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযানে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক এস এম গাফফারুল আলম তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় এ মামলা করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আবু আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের বলেন, অস্ত্র আইনে তাকে দু’টি ধারায় কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একটি ধারায় মোহাম্মদ সাহেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। আর অন্য একটি ধারায় দেয়া হয় সাত বছরে সশ্রম কারাদণ্ড। আদালতের পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করে তিনি জানান যে বিচারক বলেছেন, তার মতো ভদ্রবেশী প্রতারক সমাজে মানুষের ক্ষতি করেছে। সে আদালতের অনুকম্পা পাওয়ার যোগ্য নয়।