কথা বলছেন কাদের, কাল আইসিইউ থেকে যাবেন কেবিনে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্যের ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে। তিনি চিকিৎসক এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা বলছেন। আগামীকাল সোমবার (১০ মার্চ)  তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরের সম্ভাবনা রয়েছে।

‌রোবাবর (১০ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল (বিএসএমএমইউ) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক এবং নিওরোলজিস্ট প্রফেসর ডা. আবু নাসার রিজভী এ তথ্য জানান।

তি‌নি মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল সিঙ্গাপুর-এ চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপির চিকিৎসা সমন্বয়ক ।

এর আগে কার্ডিও থোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি কাদেরের চিকিৎসার সর্বশেষ অগ্রগতি পরিবারের সদস্যদের জানান।

এ সময় ওবায়দুল কাদেরের সহধর্মিনী ইসরাতুন্নেসা কাদের, ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মীর্জা, সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমসহ সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, রোববার (৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। হাসপাতালে ভর্তির পর বিএসএমএমইউতে তার এনজিওগ্রাম করা হয়। এনজিওগ্রাম রিপোর্টে হৃদযন্ত্রের রক্তনালীতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে।

এর মধ্যে একটি ব্লক স্টেন্টিংয়ের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওবায়দুলকে কাদেরকে বিএসএমএমইউ এর কার্ডিওলজি বিভাগের সিসিইউতে রাখা হয়।

ওবায়দুল কাদেরের অসুস্থতার খবরে হাসপাতালে উৎসুক জনতা ও নেতাকর্মীরা ভিড় করেন। ওইদিন ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে হাসপাতালে যান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ হাসপাতালে ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে যান।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ওবায়দুল কাদের।