রামেক হাসপাতালে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশের কথা বললেন না এমপি বাদশা

Mp-Badsha

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ৭ বছর ধরে প্রবেশ করতে পারেন না গণমাধ্যমকর্মীরা। এনিয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময় আন্দোলন করলেও লাভ হয়নি। সর্বশেষ স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক রাজশাহী এসে হাসপাতালে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে পরিচালক তাতে রাজি হননি।

পরে বিষয়টির সমাধান চাওয়া হয়েছিল হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি স্থানীয় এমপি ফজলে হোসেন বাদশার কাছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নতুন পরিচালক দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে কথা বলে সমাধান করে দিবেন।

নতুন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম ইয়াজদানী মঙ্গলবার ফজলে হোসেন বাদশার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও হাসপাতালে সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি আলোচনায় হয়নি। বিষয়টি নতুন পরিচালকের কাছে উপস্থাপন করেননি এমপি ফজলে হোসেন বাদশা।

ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। তার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল না। এ কারণে তিনি এসেছিলেন। ফরমাল (আনুষ্ঠানিক) সভায় সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি তোলা হবে। শিগগিরই পরিচালককে মিটিং ডাকার কথা বলছি।’

পরিচালকের সঙ্গে আলোচনায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে যেন কোনো দালাল না থাকে সেটি নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন এমপি ফজলে হোসেন বাদশা। তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসার প্রধান আশ্রয়স্থল রামেক হাসপাতাল।

এখানে এসে যেন কেউ হয়রানির শিকার না হন। দালালের খপ্পরে পড়ে যেন প্রতারিত না হন। সে জন্য যারা হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালে নিয়ে যায়, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। এসব দালালকে হাসপাতালে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। এ ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

হাসপাতাল পরিচালক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী ও সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও আলোচনা করেন। রোগীদের চিকিৎসা সেবা শতভাগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতালটির কীভাবে আরও উন্নয়ন করা যায় সেসব বিষয়েও আলোচনা হয়। হাসপাতাল পরিচালক এমপি ফজলে হোসেন বাদশার সার্বিক সহায়তা কামনা করেন।