অভিনেতা মাহফুজ আহমেদের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা

- Advertisement -

জনপ্রিয় অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ-এর লক্ষ্মীপুরের গ্রামের বাড়িতে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। হঠাৎ এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে তার পরিবার। এরই মধ্যে পুলিশের কাছে জানানো হয়েছে বিষয়টি। হামলাকারীদের খুঁজছে পুলিশ।

অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ নিজেই বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

- Advertisement -

মাহফুজ আহমেদ বলেন, ‘আমার গ্রামের বাড়িতে গতকাল সন্ত্রাসীরা হামলা করে। দরজা জানালা ভাঙচুর করেছে, ককটেল ফাটিয়েছে। কে বা কারা করেছে আমরা জানি না। হামলা চলাকালীন সময়ে বাড়িতে আমার বৃদ্ধা মা ছিলেন, আমার ছোট ভাই ও তার ছোট ছেলে ছিল। আমার স্ত্রীও ছিল। খুবই আশঙ্কা জনক অবস্থা বিরাজ করছিল তখন। আমি কোনো ভাবেই এটা মেনে নিতে পারছি না। আমি পুলিশকে জানিয়েছি। স্থানীয় অসি, এসপি সবাইকে জানিয়েছি। তারা আমাকে নিশ্চয়তা দিয়েছে, এটা আর কখনো হবে না। যারা করেছে তাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবে।’

আওয়ামী লিগের নির্বাচনী প্রচারণায় আপনাকে দেখা গেছে। আপনি ভিডিও বার্তায় নৌকা মার্কার জন্য ভোট চেয়েছেন। কোন রাজনৈতিক হামলা কী এটা? উত্তরে মাহফুজ আহমেদ বলেন,‘কোন কারণে যে এই হামলা এটা তো বুঝতে পারছি না। এটা পুলিশই খুঁজে বের করবেন।’

নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রসঙ্গে মাহফুজ আহমেদ বললেন, ‘আমার জীবনে এমন ঘটনা আগে ঘটে নাই। আমি কোনো দলের কর্মীও না। কোনো দলের কর্মী হয়ে কাজ করিনি, করবোও না। তবে ব্যক্তিগত ভাবে শিল্পীদের প্রতি, শিল্পের প্রতি, নাটক সিনেমার প্রতি, সাহিত্যের প্রতি শেখ হাসিনার যে মমতা, ভালোবাসা, খোঁজ খবর রাখা, এটা আমাকে মুগ্ধ করে। এই মুগ্ধতার কারণে উনার প্রতি আমার ব্যক্তিগত দুর্বলতা আছে।’

মাহফুজ আরও বলেন, ‘মনে আছে হয় তো। একটা ছোট বাচ্চা প্রধানমন্ত্রীর কাছে, এলাকায় ব্রিজ নির্মাণের অনুরোধ জানিয়ে একটা চিঠি লিখেছিল। সেই চিঠির উত্তরও উনি দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনাকে পছন্দ করার এমন অনেক কারনই আছে। আরেকটা কথা বলি, ব্যক্তিগত দুর্বলতা মানে কিন্ত দলীয় দুর্বলতা না। আমি কোনো দল করি না, করবোও না কখনো। আমি দলীয় রাজনীতি পছন্দ করি না। শিল্পীরা দলীয় রাজনীতি না করাই ভালো বলে আমি মনে করি।’

এদিকে সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক জনপ্রিয় অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ-এর লক্ষ্মীপুরের গ্রামের বাড়িতে হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

- Advertisement -