মিমি-নুসরাতকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যের শেষ নেই

পশ্চিমবঙ্গে ভোটের প্রচারে নেমে পড়েছেন তৃণমূলের প্রার্থীরা। তবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই নুসরাত জাহান ও মিমি চক্রবর্তীকে অশ্লীল আক্রমণ করেছে অনেকেই। বিশেষ করে মিমিকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যের যেন শেষ নেই। সেসব মন্তব্যকারীদের উপযুক্ত জবান দিলেন নুসরাত।

প্রার্থীর তালিকা ঘোষণার পর রাজনৈতিকভাবে প্রথম সাংবাদিকদের সামনে আসেন নুসরাত। এ সময় তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক মিমিকে নিয়ে উঠে এসেছে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য। মিমিকে নিয়ে যারা কুরুচিপূর্ণ কথা বলছেন তাদের জীবনে শিক্ষা ও সংস্কৃতির অভাব আছে। নিজেদের বাড়ির মহিলাদের যখন এভাবে কুৎসিত আক্রমণ তারা করেন না, তখন এভাবে একজন মহিলা প্রার্থীকে আক্রমণের কী মানে?‌ আসলে, এরা ভদ্রতা, সভ্যতার সীমা অতিক্রম করে যাচ্ছেন।’‌

তবে দুই নায়িকাই এসব নেগেটিভ কথায় মোটেই কান দিচ্ছেন না তাঁরা ৷ বরং ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে মিমির বক্তব্য, যারা ট্রোল করছেন তাদের ঘরেও মা রয়েছেন ৷

তারা নায়িকা ৷ জীবন বিলাসিতায় মোড়া ৷ এমনটাই ধারণা মানুষের ৷ কী ভাবে গরমে রোদের মধ্যে পায়ে হেঁটে ঘুরবেন তারা? এই প্রশ্নের উত্তরে নুসরত জানালেন, গরমে লেদার জ্যাকেট পরে, চুল খুলে, মেকআপ নিয়ে তাঁদের একটা শট ২০ বার করে দিতে হয় ৷ তার থেকে হেঁটে ঘোরা বেশ সহজ কাজ ৷ মিমি বললেন, এর আগেও অন্য বন্ধ‌ুদের জন্য তারা প্রচারে বেরিয়েছেন ৷ পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূমেও গিয়েছেন ৷ তাই এটা তাদের কাছে নতুন নয় ৷

প্রসঙ্গত, তারকাদের মধ্যে তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ও নুসরাত জাহান লড়বেন যথাক্রমে যাদবপুর ও বসিরহাট থেকে। বাঁকুড়ার বর্তমান সাংসদ মুনমুন সেনকে এবার প্রার্থী করা হয়েছে আসানসোল থেকে। এ ছাড়া ঘাটাল এবং বীরভূম কেন্দ্র থেকে পুনরায় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন যথাক্রমে অভিনেতা দেব এবং শতাব্দী রায়।