শেয়ারবাজারে পতন অব্যাহত

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর বিক্রয় চাপে অব্যাহত পতনে ভুগছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। টানা ৪ কার্যদিবসের ধারাবাহিক পতনে ডিএসই’র প্রধান মূল্য সূচক কমেছে প্রায় ১০০ পয়েন্ট।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক কমেছে সোমবার। তবে, দিনশেষে সিএসই’র সাধারণ লেনদেন আগের কার্যদিবসের তুলনায় সামান্য বেড়েছে।

ডিএসই ও সিএসই’র বাজার বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৬টির, দর কমেছে ১৭০টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৪৭টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় ডিএসইতে ১২ কোটি ৫৬ লাখ ৬২ হাজার ৫০১টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এসময় ডিএসইতে টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৪৯১ কোটি ২৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের কার্যদিবসের তুলনায় সোমবার ডিএসই’র লেনদেন বেড়েছে।

দিনশেষে ডিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৭.৭৭ পয়েন্ট কমে ৬১৯৬.৬৫ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। এসময় শরীয়াহ্ ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর মূল্য সূচক ডিএসইএস কমেছে ৩.৬৭ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ সূচক ৩.৯৪ পয়েন্ট কমেছে।

লেনদেন শেষে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে গ্রামীন ফোন। এদিন প্রতিষ্ঠানটির ১৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

টার্নওভারের দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ডোরিন পাওয়ার, প্রতিষ্ঠানটির ১৮ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভারের তৃতীয় অবস্থানে ছিল বারাকা পাওয়ার।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- ডিবিএইচ, স্কয়ার ফার্মা, ব্র্যাক ব্যাংক, শাহজিবাজার পাওয়ার, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, সিটি ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) লেনদেন হওয়া ২৪৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৯৮টির, দর কমেছে ১২১টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৩০টি প্রতিষ্ঠানের।

এসময় সিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক কমেছে ৮.৭৪ পয়েন্ট।

সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। দিনশেষে সিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে উত্তরা ব্যাংক।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৫ ঘণ্টা, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭,
লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/এ