‘বিশ্বকাপ ফাইনালে আপনি এমন পেনাল্টি দিতে পারেন না’

ব্যাপারটা মেনে নিতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে তাঁর। বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো আসরে যে গোল প্রথমে রেফারি দিলেনই না, সেটা ভিএআর দেখে কি না শেষ পর্যন্ত পেনাল্টির বাঁশি বাজালেন। ক্রোয়েশিয়া কোচ লাতকো দালিচ এখনো মেনে নিতে পারছেন না ব্যাপারটা। কিছুটা ক্ষোভের সঙ্গেই বলেছেন, ওই পেনাল্টিটা বিশ্বকাপে ফাইনালে দেওয়া উচিত হয়নি রেফারির। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা জিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফ্রান্স।

ম্যাচের প্রথমার্ধ চলছে, ১-০ গোলে পিছিয়ে ক্রোয়েশিয়া। গ্রিজমানের একটা কর্নার থেকে লাফিয়ে উঠে হেড করতে গিয়ে বল লাগল পেরিসিচের হাতে। আর্জেন্টিনাই রেফারি নেস্তর পিতানা শুরুতে পেনাল্টি দেননি। কিন্তু ভিএআরের সঙ্গে পরামর্শ করে বেশ কয়েক বার ভিডিও দেখার পর শেষ পর্যন্ত পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ক্রোয়েশিয়ানরা তখনই প্রতিবাদ করেছিলেন, পেরিসিচের ওই হ্যান্ডবল ইচ্ছাকৃত ছিল না। কিন্তু রেফারি তাদের কথা শোনেননি। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করেই দলকে আরেক দফা এগিয়ে দিয়েছেন গ্রিজমান।

ম্যাচ শেষে কোচ দালিচ তাই নিজের ক্ষোভটা চেপে রাখতে পারেননি, ‘আমরা ভালো খেলছিলাম। কিন্তু ওই পেনাল্টির পর আমরা ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়েছি। আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই, বিশ্বকাপ ফাইনালে আপনি এ ধরনের পেনাল্টি দিতে পারেন না।’ ভাগ্যেরও কিছুটা দায় দিলেন দেশম, ‘বিশ্বকাপ ফাইনালে যে রকম ভাগ্য দরকার, আজ সেটা আমাদের পক্ষে ছিল না। চার গোল খেলে আপনি আসলে কিছু করতে পারবেন না।’

মদ্রি অবশ্য সরাসরি কিছু বলেননি, তবে ইঙ্গিত ঠিকই দিয়েছেন, ‘আমরা ম্যাচের বেশির ভাগ সময় জুড়েই সেরা দল ছিলাম, সেজন্য আমাদের কোনো আক্ষেপ নেই। কিছু গোল কীভাবে যেন ওরা পেয়ে গেছে। তবে আমরা মাথা উঁচু করেই মাঠ ছাড়তে পারি।’ ইভান রাকিতিচের কন্ঠেও একই সুর, ‘আমরা প্রথমার্ধে অনেক ভালো খেলেছি, সুযোগ তৈরি করেছি, কিন্তু ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল না। পরের অর্ধে আমরা চার গোল খেয়ে যাই, এরপর আর কিছু করার ছিল না। তবে আমি ফ্রান্সকে অভিনন্দন জানাচ্ছি, যোগ্য দল হিসেবে জিতেছে তারা’।

বাংলাদেশ সময়ঃ ১২১২ ঘণ্টা, ১৬ জুলাই, ২০১৮
লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/বিএনকে