হেরে কি বললেন মঞ্জু?

খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) তালুকদার আবদুল খালেক বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছেন এক লাখ ৭৬ হাজার ৯০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৮ হাজার ৯৫৬ ভোট। মঙ্গলবার বিকাল থেকে বিভিন্ন উৎস থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের প্রাপ্ত ফলাফল ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়।

এদিকে নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে হারের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছেনমঙ্গলবার (১৫ মে) রাতে কেসিসি নির্বাচনের ফল ঘোষণার সময় খুলনায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ২০০টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চেয়ে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন মঞ্জু।

বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ‘খুলনার মানুষ এ নির্বাচন মানে না। খুলনার নাগরিকদের ভোট ডাকাতির যে মহোৎসব এ সরকার উপহার দিয়েছে, তা একটি উপহার দিয়েছে তা একটি জঘন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো। আমি এ নির্বাচনি ফল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।’

এই নির্বাচনে দুই শতাধিক কেন্দ্রে ফের ভোট নেওয়ার দাবি জানিয়ে মঞ্জু বলেন, ‘নজিরবিহীন এক ভোট ডাকাতিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মেয়র হতে যাচ্ছেন। কিন্তু খুলনার জনগণ তাকে নির্বাচিত মেয়র বলে মেনে নেবে না।’

এদিকে, এই নির্বাচনে জয়ী হলে নজরুল ইসলাম মঞ্জুসহ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করার প্রত্যয় জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক।

উল্লেখ্য, আজ (মঙ্গলবার) পঞ্চমবারের মতো খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে দলীয় প্রতীকে খুলনা সিটির নির্বাচন এই প্রথম। সর্বশেষ ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী। তার আগে ২০০৮ সালে তালুকদার আব্দুল খালেকই খুলনা সিটির মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। মঞ্জু। খুলনার মানুষ ভোট ডাকাতির এই নির্বাচন মানে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বানহ্লাদেশ সময়ঃ ২২৪৮ ঘণ্টা, ১৫ মে, ২০১৮