Home আন্তর্জাতিক দেড় শ মানুষ মরবে তাই ইরানে হামলা করিনি: ট্রাম্প

দেড় শ মানুষ মরবে তাই ইরানে হামলা করিনি: ট্রাম্প

- Advertisement -

প্রস্তুত ছিল যুদ্ধবিমান ও প্রস্তুত ছিল রণতরী। ইরানে হামলার জন্য গোলাবারুদ ও ভারি মরণাস্ত্রে সজ্জিত মার্কিন সেনারা অপেক্ষায় ছিলেন শেষ নির্দেশের। তবে যুদ্ধবাজ দেশ নামে পরিচিতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানালেন, দেড় শ মানুষ মরবে তাই তিনি সম্ভাব্য যুদ্ধে জড়াবেন না! খবর বিবিসির।

গুলি করে মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এরইমধ্যে শুক্রবার (২১ জুন) বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক টুইটে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সঙ্কটের বিষয় তুলে ধরেন।

- Advertisement -

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে লেখেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরান আমাদের মানবহীন ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ইরানের তিনটি স্থানে আমাদের হামলার পরিকল্পনা ছিল। আমি একজন জেনারেলের কাছে জানতে চাইলাম কত মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সে বলল, দেড় শ। হামলার ১০ মিনিট পূর্বে আমি অভিযান বন্ধের নির্দেশ দিলাম। মানবহীন ড্রোন ভূপাতিত করার বদলায় এত মৃত্যু গ্রহণযোগ্য নয়। আমার তাড়া নেই। আমাদের সেনাবাহিনী পুনরুজ্জীবিত, সজ্জিত, সর্বদা প্রস্তুত এবং পৃথিবীর সেরা। ইরান কখনোই পারমাণবিক বোমার নাগাল পাবে না। তা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়, পৃথিবীর বিরুদ্ধেও নয়।

এর আগে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় বলা হয়, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করায়, দেশটিতে বেশ কয়েকটি টার্গেট চূড়ান্ত করা হয় হামলা চালানোর জন্য। এ ধরনের অভিযানে সম্মতি ছিল মার্কিন সামরিক দফতর পেন্টাগনেরও। কিন্তু ট্রাম্প সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। তবে এখনো ইরানের রাডার ও মিসাইল ব্যাটারি লক্ষ্য করে হামলার ‘সম্ভাবনা’ রয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এসব সিদ্ধান্তের বিষয়ে, স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ক্ষুধা আমেরিকার নেই। অপরদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সতর্ক করে বলেছেন, আমেরিকা ও ইরান যুদ্ধে জড়ালে তা হবে ভয়াবহ। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তিনিও গুতেরেস উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের অনুরোধ করেছেন।

এদিকে মার্কিন অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিস্ট্রেশন, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, ডাচ বিমান কর্তৃপক্ষ, এমিরেটস ও অস্ট্রেলিয়ার কোয়ান্টাস জানিয়েছে নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা ইরানের নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমায় তাদের বিমান উড়াবে না।

এফএএ বিবৃতিতে জানায়, ফ্লাইট ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন্সের তথ্য অনুযায়ী বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল হক ড্রোনের প্রায় ৪৫ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে, সবচেয়ে কাছের বেসামরিক বিমান অবস্থান করছিল। ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার সময় ওই এলাকায় অনেক বেসামরিক বিমানের অবস্থান ছিল। তাই উপসাগরীয় অঞ্চলের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সঙ্কটে বিমানের নিরাপত্তায় এফএএ উদ্বিগ্ন।

লেটেস্টবিডিনিউজ/এসকেবি

- Advertisement -