মিলন নিয়ে একি বলল খ্রিস্টানরা

নারী ও পুরুষের শরীরী মিলন যতই প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক হোক না কেন প্রকাশ্যে এ নিয়ে মন্তব্যে প্রায়শই সঙ্কোচ দেখা গিয়েছে খ্রিস্টীয় ধর্মাচরণে। এবার যৌনতা নিয়ে ধর্মীয় গোঁড়ামিতেও আসছে বদল। এমনই ইঙ্গিত মিলল এক খ্রিস্ট ধর্মীয় পত্রিকার ক্রিসমাস সংখ্যায়।

কেরলের আলাপ্পুঝা থেকে প্রকাশিত মাসিক ধর্মীয় পত্রিকা ‘মুখরেখা’-র ক্রিসমাস সংখ্যায় এ নিয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। ‘যৌনতা ও আয়ুর্বেদ’ বিষয়ক ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে-যৌনতা হল এক পবিত্র

উৎসব। এর মধ্যে কোনও পাপ নেই। আর যে ভালবাসায় শরীর নেই তা যেন আতসবাজি ছাড়া পরব পালন। চার পাতার ওই নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, দু’টি শরীরের যদি মিলন হয় তবে দু’টি মনেরও যথাযথ মিলন হওয়া জরুরি।

এখানেই শেষ নয়, ওই মাসিক ধর্মীয় পত্রিকায় প্রাচীন কামসূত্রের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। নারীর স্তনের গঠন দেখে কে পদ্মিনী, কে চিত্রানী, শঙ্খিনী, হস্তিনী তাও বোঝানো হয়েছে। কোন স্তরের নারীর সঙ্গে কেমন ভাবে সঙ্গমে মেতে ওঠা উচিত সে বর্ণনাও করা হয়েছে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে জানিয়েছেন, চার্চ পরিচালিত পত্রিকায় এমন ব্যাখ্যা দেখে কোনও নারীবাদী সংগঠন প্রতিবাদ জানায়নি, খ্রিষ্ট ধর্মালম্বীদের মধ্য থেকেও প্রতিবাদ আসেনি। বরং, অনেকেই বিষয়টাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেরও উচিত প্রাচীন ট্যাবু ছেড়ে সময়ের সঙ্গে চলা।

বাংলাদেশ সময়: ১৯২৬ ঘণ্টা, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৭
লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/পিকে