শেয়ারবাজারে ভয়াবহ পতন

Stock market

শেয়ারবাজারে পতন এটা নতুন কিছু নয়। ভয়াবহ দরপতনে একদিনেই ৭৮ পয়েন্ট সূচক কমার মধ্য দিয়ে গতকাল শেষ হয়েছে ঢাকা শেয়ারবাজারের লেনদেন। সূচকের সঙ্গে লেনদেনেও বড় ধরনের পতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে নিচে নেমে গেছে। দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক কমে রেকর্ড গড়েছে। জানা গেছে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪২০ পয়েন্টে।

এর আগে ২০১৬ সালের ২৭ জুনের পর সর্বনিম্ন অবস্থান ডিএসইর ডিএসইএক্স সূচক। ওই দিন ডিএসইএক্স অবস্থান করছিল ৪ হাজার ৪১২ পয়েন্টে। ডিএসইতে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৮১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। যা আগের দিন থেকে ২৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩০৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকার। ডিএসইতে ৩৫৩টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টির বা ১০ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে।

দর কমেছে ২৭৮টির বা ৭৯ শতাংশের এবং ৪০টি বা ১১ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে। টাকার পরিমাণে বেশি লেনদেন হয়েছে রিং শাইন টেক্সটাইলের। কোম্পানিটির ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা বিকন ফার্মার ১৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকার এবং ৭ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে আসে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।

ডিএসইর টপটেন লেনদেনে উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে : স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, ব্র্যাক ব্যাংক, খুলনা পাওয়ার, জেনেক্স ইনফোসিস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল টিউবস এবং গ্রামীণফোন।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৪৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৪৩১ পয়েন্টে। সিএসইতে হাতবদল হওয়া ২৩০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ১৭৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টির দর। সিএসইতে ১৪ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।