শীতের সবজির দাম হাতের নাগালে

মৌসুমের শুরুতে শীতকালীন সবজির দাম চড়া থাকলেও এখন সেসব শাক-সবজির দামই ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম হাতের নাগালেই রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

গুলশান থেকে কারওয়ান বাজারে বাজার করতে এসেছেন কবীর খান। পেশায় তিনি চাকরিজীবী। ছুটির দিনগুলোতে বাজার করেন এখান থেকেই। তিনি বলেন, ‘মাসের কয়েকবার সবজি কিনতে কারওয়ান বাজারে আসা হয়। এখানে তুলনামূলক সব কিছু কম দামে পাওয়া যায়। এ সপ্তাহে সবজির দাম পানির দামে, একবারেই কমে গেছে।’

বাংলামোটর থেকে কারওয়ান বাজারে সবজি কিনতে এসেছেন রফিক মিয়া। তিনি জানান, শীতের প্রথম দিকে সবজির দাম অনেক বেশি ছিলো। কিন্তু এখন এসব হাতের নাগালে চলে আসছে। গত সপ্তাহে পালং শাকের আঁটি ছিলো ২০ টাকা, আজ সেটা ১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, বরবটি, পালং শাক, ও গাজরসহ শীতকালীন নানান সবজির সমাহার।

কারওয়ান বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী রকিবউদ্দিন বলেন, ‘গত সপ্তাহ থেকে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেশি হয়েছে। দামও হাতের নাগালে। সব কিছুই পানির দামে পাওয়া যাচ্ছে।’

বাজারে বর্তমানে মূলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৫ টাকায়, শিম ১৫ থেকে ২০ টাকা, বাঁধাকপি পিস ১০ থেকে ১৫ টাকা, ফুলকপি ১০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৩০ টাকা, পাকা টমেটো ৪০/৪৫ টাকা, গাজর ২৫ থেকে ৩০ টাকা, বরবটি ২০ টাকা, লাল, কলমিলতা ১০ টাকা আঁটি। সাইজ অনুসারে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে।

আবার এসব বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়, ঢেঁড়স ২০ থেকে ২৫ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, কচুর লতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁকরোল ২৫ থেকে ৩০ টাকা, জালি কুমড়া প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে, শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়। যা গত সপ্তাহের তুলনায় অনেক কমে গেছে। এছাড়া প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজে ৫ টাকা করে কমেছে যা এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। আদা, গাজরের দাম আগের মতোই রয়েছে।

লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/বিএনকে