সেই নারীর কথা শুনলেন তদন্ত কমিটি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ভোট দেয়া নিয়ে বাক-বিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে গণধর্ষণের শিকার হওয়া নারীকে দেখতে গেলেন মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটি। এ সময় নির্যাতিত নারীর সঙ্গে কথা বলেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা।

সুবর্ণচরের চরজুবলীতে গত ৩০ ডিসেম্বর রাতে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে চার সন্তানের এক মাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

বুধবার দুপুরে ঘটনা তদন্তে মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ ও তদন্ত টিমের প্রধান আল মাহমুদ ফায়জুল কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যদের তদন্ত কমিটি নির্যাতিত নারীকে দেখতে যান।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতিত নারী ও তার স্বামী সিরাজ মিয়ার সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। সেইসঙ্গে নির্যাতিত নারীর কথা শোনেন কমিটির সদস্যরা।

এর আগে নোয়াখালী পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গিয়ে এসপি ইলিয়াছ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাত করেন মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটির সদস্যরা।

এ বিষয়ে তদন্ত টিমের প্রধান আল মাহমুদ ফায়জুল কবির বলেন, ঘটনাটি শোনার পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যানের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সে আলোকে আমরা ঘটনা তদন্ত করতে এসেছি। কয়েকজনের সাক্ষ্য নিয়েছি আমরা। আরও কিছু কাজ বাকি আছে। সব ডকুমেন্ট, মামলার এজাহার, এফআইআর, মেডিকেল রিপোর্ট সংগ্রহ করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মানবাধিকার কমিশনে জমা দেব আমরা। তারপর কমিশন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

আল মাহমুদ ফায়জুল কবির আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষের মান-সম্মান ও আত্মরক্ষার অধিকার মানাবাধিকার কমিশনের আওতায়। কোনো মানুষরে অধিকার ক্ষুণ্ন বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার পাশে থাকে মানবাধিকার কমিশন।

লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/কেএস