Home ম্যাগাজিন শূকরের পেটে গুপ্তধন, বিক্রি করে কোটিপতি

শূকরের পেটে গুপ্তধন, বিক্রি করে কোটিপতি

- Advertisement -

‘পরশপাথর’ বোধ হয় একেই বলে! যার ছোঁয়াতে যে কোনো পার্থিব বস্তুর সোনাতে রূপান্তরিত হয়। রাজ শেখর বসুর সেই ‘পরশপাথর’এর খোঁজ এ যাবৎ কেউ পেয়েছে বলে তো মনে হয় না।

কিন্তু সেই পাথরের খোঁজ পেলেন সদূর চীনের বাসিন্দা বো চুনলুর। গল্পকথা সত্যি হলো আজ। এমন জিনিস হাতে এলো তার, যার স্পর্শে রাতারাতি কোটি টাকার মালিক হলেন তিনি। নেপথ্যে তার পোষা শূকর।

- Advertisement -

বেশ, এখানেই খটকা লাগলো তো আপনার মনে। সেটাই স্বাভাবিক। বিষয়টি তবে খোলসা করেই বলা যাক। ৫১ বছরের বো চুনলুরের জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য ছিল কেবলই বিলাসিতা মাত্র। দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের দুবেলা খাওয়া জুটলেও যথেষ্ট। বো-এর জীবনের ঘটনার মোড় ঘোরে তখনই, যখন তার পোষা শূকরটি মারা যায়।

শূকরের পেট থেকে বিশেষ ধরনের বস্তু আবিষ্কার করেন বো, যেটি আসলে শূকরের গলস্টোন। বিশেষ ধরনের শক্ত জমাট বাঁধা পাথরের মতো অংশটিকে বেজোর বলে। এরপরই হাতে চাঁদ পান বো।

হাল্কা বিস্তর জ্ঞান আগেই ছিল। পাড়াপ্রতিবেশীদের কাছ থেকে কিছুটা আভাস পেয়ে আরো নিশ্চিত হন। তারপরই বেজোর নিয়ে চলে যান সাংহাইতে। ৪ ইঞ্চি লম্বা ও ২.৫ ইঞ্চি চওড়া বেজোর বেচে ৮.৭ কোটি টাকা পান তিনি।

শূকরের গলব্লাডারে অবস্থিত ওই পাথর থেকে প্রাণদায়ী ওষুধ তৈরি হয়। ইংল্যান্ডের এক গবেষক এই পাথরের গুণাগুণ প্রথম আবিষ্কার করেন। পরে চীনের চিকিৎসকরা তা ব্যবহার শুরু করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১২৫৮ ঘণ্টা, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭
লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/পিকে

- Advertisement -