ক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নির্বাচনী কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প

Christopher C. Krebs

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ নাকচ করায় এবার শীর্ষ নির্বাচনী কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প নিজেই টুইটারে জানিয়েছেন সে কথা।

মঙ্গলবার টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, ভোটের সুষ্ঠুতা নিয়ে ‘অত্যন্ত ভুল’ মন্তব্য করায় তিনি সাইবার সিকিউরিটি ও ইনফ্রাস্টাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির (সিসা) প্রধান ক্রিস ক্রেবসকে ‘বরখাস্ত’ করেছেন।

‘গুজব নিয়ন্ত্রণ’ নামে সিসার একটি ওয়েবসাইটকে কেন্দ্র করে ক্রেবস হোয়াইট হাউসের অসন্তুষ্টির কারণ হয়ে উঠেছিলেন বলে জানা গেছে।

এই ওয়েবসাইট থেকে নির্বাচন সংক্রান্ত ভুল তথ্যের অসারতা তুলে ধরা হত, ওই সব তথ্যের বেশিরভাগই ছড়াতে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ভূমিকা রেখেছিলেন।

বরখাস্ত হলেও তা নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই ক্রেবসের। বরখাস্ত হওয়ার পর এক টুইটে তিনি বলেন, “সেবা দিতে পেরে সম্মানিত। আমরা ঠিক কাজ করেছি। ”

এর আগে তিনি টুইট বার্তায় ট্রাম্পের অভিযোগ খণ্ডন করেন। তিনি বলেন, “নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে কারসাজি করা হয়েছিল বলে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, ৫৯ জন নির্বাচনী নিরাপত্তা কর্মকর্তার সবাই একমত হয়েছেন যে ‘আমাদের জানা প্রত্যেকটি অভিযোগই হয় কোনো প্রমাণ ছাড়াই করা হয়েছে অথবা প্রযুক্তিগতভাবে অসম্ভব। ”

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সুরক্ষিত নির্বাচন হয়েছে বলে গত সপ্তাহে ঘোষণা দেন দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা। ক্রেবস তাদেরই একজন।

এবারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে হেরে গেলেও ট্রাম্প কারচুপির অভিযোগ তুলে বারবার নিজেকে জয়ী ঘোষণা করছেন। মাঝখানে এবার স্বীকার করেন, যে জো বাইডেন জিতে গেছেন। কিন্তু তারপর ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই আবারও তিনি টুইটারে দাবি করেন, আমরাই জিতেছি।