সিলেট–১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের হলফনামায় কোম্পানির শেয়ার ও ঋণসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগ করেছে বিএনপি।
রবিবার বিকেলে সিলেট–১ আসনে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। তিনি বলেন, জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় কোম্পানির শেয়ার ও ঋণ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ করেননি। এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা এবং রাজনৈতিক ভণ্ডামির শামিল।
কয়েস লোদী অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যাতে মানুষের দৃষ্টি দেশের প্রকৃত সমস্যা থেকে সরে যায়। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ প্রতিদিন নৈতিকতার কথা বলছেন, অথচ নিজের হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মাওলানা হাবিবুর রহমান ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের পরিচালক এবং আল কারামা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালক। তবে এই তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। পাশাপাশি ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেটের নামে প্রায় ২৪ কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণ থাকলেও সেটিও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
ব্যাংক সূত্রের বরাত দিয়ে কয়েস লোদী বলেন, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের সিলেট শাখায় মাওলানা হাবিবুর রহমানের বড় অঙ্কের ঋণ রয়েছে, যা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ৫ আগস্টের পর দেশের মানুষ রাজনীতি নিয়ে নতুন আশার কথা ভাবছে। এই প্রেক্ষাপটে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ও চরিত্রহননের রাজনীতি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আধুনিক রাজনৈতিক চর্চার পরিপন্থী।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী এবং খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের মিডিয়া সেলের প্রধান বদরুদ্দোজা বদর উপস্থিত ছিলেন।







