‘এশিয়ার নোবেল’ খ্যাত র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের বেসরকারি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান। প্রান্তিক ও জলবায়ুর ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এই পুরস্কারে ভূষিত হলেন।
রুনা খানের সঙ্গে এবার আরও দুই ব্যক্তি এই পুরস্কার পেয়েছেন। তারা হলেন—সিঙ্গাপুরের টমি কোহ ও মিয়ানমারের বো চি।
সোমবার ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ২০২৬ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন।
আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার মেট্রোপলিটন থিয়েটারে উৎসবের সমাপনী পর্বে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।
র্যামন ম্যাগসাইসাই ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার নামে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৫৮ সাল থেকে নিয়মিত এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হচ্ছে। বিমান দুর্ঘটনায় নিহত প্রেসিডেন্ট ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিন (৩১ আগস্ট) উপলক্ষে প্রতিবছর এই দিনে পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ২০২৬ সালের বিজয়ী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে এমন কাজগুলো বেছে নেওয়া হয়েছে, যেগুলো র্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত চিরস্থায়ী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়। নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ তৈরি করা এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে নিতে সক্ষম করে তোলার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রুনা খান ২০০২ সালে ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করেন। দুই দশকের বেশি সময় ধরে সংস্থাটি বাংলাদেশের দুর্গম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে কাজ করে আসছে। বিশেষ করে নদীভাঙনপ্রবণ ও জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা মানুষের কাছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবিকা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থাটির কার্যক্রম রয়েছে।







