সিঙ্গেল ডেকার কিনে ডাবল ডেকার, অবৈধ ৪১ স্লিপার বাসের নিবন্ধন স্থগিত

দেশে কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন না দেওয়া হলেও সিঙ্গেল ডেকার বাস কিনে অবৈধভাবে সেগুলোকে ডাবল ডেকার স্লিপার বাসে রূপান্তর করা হচ্ছে। এমনভাবে রূপান্তর করা ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

হাইকোর্টের নির্দেশনায় গঠিত বিআরটিএ’র তিন সদস্যের একটি কারিগরি কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি। সংশ্লিষ্ট আইনজীবী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিআরটিএ থেকে এ পর্যন্ত কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি। তবে সংস্থাটির ডাটাবেজ পর্যালোচনায় ডাবল ডেকার (স্লিপার নয়) হিসেবে ৮২৯টি বাসের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য পাওয়া গেছে।

অননুমোদিত স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার বিষয়ে কমিটি জানিয়েছে, কিছু বাস মালিক সিঙ্গেল ডেকার বাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার পর সেগুলোর বডি পরিবর্তন করে ডাবল ডেকার স্লিপার বাসে রূপান্তর করেন। এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সড়কে চলাচলরত তিনটি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।

কমিটি আরও জানিয়েছে, অননুমোদিত ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএ বিভিন্ন সময় পুলিশ বিভাগকেও চিঠি দিয়েছে। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিক বডি পরিবর্তনের পর ফিটনেস নবায়নের জন্য বিআরটিএতে আসছেন, তাদের ফিটনেস নবায়ন না করে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হচ্ছে। এসব বাসকে কোনো রুট পারমিটও দেওয়া হচ্ছে না।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান ২০২৫ সালে অননুমোদিত স্লিপার এসি বাস চলাচলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন। পরে আদালতের নির্দেশে বিআরটিএ একটি স্বাধীন কারিগরি কমিটি গঠন করে।

বিআরটিএ’র পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সদস্য ছিলেন উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এ এস এম কামরুল হাসান এবং সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মঈনুল ইসলাম। কমিটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন, নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা পর্যালোচনা করে জানায়, বর্তমানে এ ধরনের যানবাহনের জন্য কোনো জাতীয় গাইডলাইন বা নীতিমালা নেই। ফলে বিআরটিএ থেকে ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয় না। অনুমোদিত কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাস না থাকায় এ ধরনের যানবাহনের নিরাপত্তা মূল্যায়নের প্রশ্নও আপাতত প্রযোজ্য নয়।দেশে কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন না দেওয়া হলেও সিঙ্গেল ডেকার বাস কিনে অবৈধভাবে সেগুলোকে ডাবল ডেকার স্লিপার বাসে রূপান্তর করা হচ্ছে। এমনভাবে রূপান্তর করা ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

হাইকোর্টের নির্দেশনায় গঠিত বিআরটিএ’র তিন সদস্যের একটি কারিগরি কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি। সংশ্লিষ্ট আইনজীবী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিআরটিএ থেকে এ পর্যন্ত কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি। তবে সংস্থাটির ডাটাবেজ পর্যালোচনায় ডাবল ডেকার (স্লিপার নয়) হিসেবে ৮২৯টি বাসের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য পাওয়া গেছে।

অননুমোদিত স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার বিষয়ে কমিটি জানিয়েছে, কিছু বাস মালিক সিঙ্গেল ডেকার বাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার পর সেগুলোর বডি পরিবর্তন করে ডাবল ডেকার স্লিপার বাসে রূপান্তর করেন। এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সড়কে চলাচলরত তিনটি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।

কমিটি আরও জানিয়েছে, অননুমোদিত ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএ বিভিন্ন সময় পুলিশ বিভাগকেও চিঠি দিয়েছে। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিক বডি পরিবর্তনের পর ফিটনেস নবায়নের জন্য বিআরটিএতে আসছেন, তাদের ফিটনেস নবায়ন না করে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হচ্ছে। এসব বাসকে কোনো রুট পারমিটও দেওয়া হচ্ছে না।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান ২০২৫ সালে অননুমোদিত স্লিপার এসি বাস চলাচলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন। পরে আদালতের নির্দেশে বিআরটিএ একটি স্বাধীন কারিগরি কমিটি গঠন করে।

বিআরটিএ’র পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সদস্য ছিলেন উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এ এস এম কামরুল হাসান এবং সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মঈনুল ইসলাম। কমিটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন, নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা পর্যালোচনা করে জানায়, বর্তমানে এ ধরনের যানবাহনের জন্য কোনো জাতীয় গাইডলাইন বা নীতিমালা নেই। ফলে বিআরটিএ থেকে ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয় না। অনুমোদিত কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাস না থাকায় এ ধরনের যানবাহনের নিরাপত্তা মূল্যায়নের প্রশ্নও আপাতত প্রযোজ্য নয়।

Scroll to Top