চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বার্সেলোনা। গালাতাসারাইয়ের মাঠে প্রথমে গোল হজম করলেও পরে একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে হান্সি ফ্লিকের দল। শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের ৪-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে কাতালানরা।
মঙ্গলবার রাতে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ম্যাচে গালাতাসারাইয়ের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন আলেক্সেই বাতরাকভ। অন্যদিকে, বার্সেলোনার জার্সিতে গোল করেন জোয়াও ক্যানসেলো, ফেরমিন লোপেজ, অ্যান্থনি গর্ডন ও করিম আদেয়েমি।
ম্যাচের ২৮তম মিনিটে এগিয়ে যায় গালাতাসারাই। রাফায়েল লেয়াওয়ের পাস থেকে শট নেন আলেক্সেই বাতরাকভ। বলটি বার্সেলোনার ডিফেন্ডার জোয়াও ক্যানসেলোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়।
এর ছয় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকরা। ভিক্টর ওসিমেনের হেড থেকে বল পেয়ে জালে পাঠান বারিস আলপার ইলমাজ। তবে ভিএআরের পর্যালোচনায় অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। ৪৩তম মিনিটে দানি ওলমোর স্পর্শে বল পেয়ে দারুণ বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন ক্যানসেলো। তার গোলে ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর অবশ্য আর পেছনে তাকাতে হয়নি বার্সেলোনাকে। দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে লামিনে ইয়ামালের ক্রস থেকে হেডে দলকে এগিয়ে দেন ফেরমিন লোপেজ। তিন মিনিট পর ইয়ামালের দারুণ পাস কাজে লাগিয়ে ব্যবধান ৩-১ করেন অ্যান্থনি গর্ডন।
এরপর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন করিম আদেয়েমি। ৬৫তম মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে দুর্দান্ত শটে বার্সেলোনার চতুর্থ গোলটি করেন তিনি। তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় সফরকারীদের বড় জয়।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ ম্যাচে ৮৪টি। ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে এই প্রতিযোগিতায় অন্তত ২০ ম্যাচ পরিচালনা করা কোচদের মধ্যে বার্সেলোনার হয়ে ফ্লিকের গোলের গড় সর্বোচ্চ।
এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম ম্যাচে ফেইনুর্ডকে ৫-১ গোলে হারিয়েছিল বার্সেলোনা। গালাতাসারাইকে হারিয়ে দুই ম্যাচে পূর্ণ ছয় পয়েন্ট নিয়ে লিগ পর্বে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল দলটি।
আগামী ২০ অক্টোবর প্যারিসে পিএসজির মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। তার আগে শনিবার লা লিগায় রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে মাঠে নামবে ফ্লিকের শিষ্যরা।






