ক্রিকেট খেলা থামাতে গিয়ে আক্রমণের শিকার ভারতের পুলিশ

ছবিঃ সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। ভারতেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। মহামারি আকারে ছড়ানো করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ভারত এখন ‘লকডাউন’।

বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়ানো করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকারগুলো তাদের চেষ্টা আরও জোরদার করেছে। এর অংশ হিসেবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ২১ দিন ভারতকে ‘লকডাউন’ ডাক দিয়ে জাতির উদ্দেশে মোদি বলেছেন, ‘ঘরের বাইরে বেরোনো পুরোপুরি বন্ধ। গোটা দেশ লকডাউন থাকবে। ভারতকে বাঁচাতে প্রতিটি রাস্তা ও এলাকা লকডাউন রাখতে হবে।’

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরদিনই মধ্যপ্রদেশের তরুণেরা রাস্তায় নামে ক্রিকেট খেলতে। পুলিশ সেই ক্রিকেট থামাতে গেলে তারা হয়ে ওঠে মারমুখী। খেলা তো তারা থামায়ইনি, উল্টো পুলিশের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এক পুলিশ সদস্যকে তো চড়ই হজম করতে হয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ২১ দিন ভারতকে ‘লকডাউন’ করার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু ছেলেপুলে কিছুতেই কথা শুনছে না। লকডাউন ঘোষণার পরেও চলছে রাস্তায় ক্রিকেট। মধ্যপ্রদেশে তো পুলিশ থামাতে গেলে বাধে বিপত্তি। আক্রমণের শিকার হতে হয় তাদের।

করোনার এ সময় সরকারি নির্দেশ প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে রীতিমতো নাকালই হতে হয়েছে পুলিশকে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ারও আশঙ্কা ছিল। ওই তরুণদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল স্থানীয় জনতা। তারা পাথর ছুড়েছে। জনতার ধাওয়ায় পুলিশকে পালিয়েই আসতে হয়েছে সেখান থেকে।

পুলিশ পরিদর্শক যোগেন্দ্র সিং সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘জানতে পারলাম আমাদের বাহিনী আক্রমণের শিকার হয়েছে। আরও সদস্য নিয়ে সেখানে গিয়ে দেখি, সবাই পাথর ছুড়ছে পুলিশের উদ্দেশে। চারজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। দুজন নারী ও দুজন পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

করোনার সংক্রমণে কাল মধ্যপ্রদেশে একজন মারা গিয়েছেন। ভারতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৬০৬। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ জন।