দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়লো ভরিতে ২৩৩৩ টাকা

gold

মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে দেশের বাজারে সব ধরনের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৩৩২ দশমিক ৮০ টাকা বেড়েছে। এখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম পড়বে ৭১ হাজার ৪৪২ টাকা।

আগে এই মানের স্বর্ণের ভরি ছিল ৬৯ হাজার ১০৯ দশমিক ২০ টাকা।

চলতি বছরে একটানা তিন দফায় স্বর্ণের দাম মোট ৫ হাজার ৫৪০ টাকা কমার পড়ে ২৩৩২ দশমিক ৮০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)।

আজ সোমবার (১০ মে) দুপুর ১টা থেকেই নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এই ধাতু।

এর আগে চলতি বছরের ১০ মার্চ বাজুসের প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম পুননির্ধানের খবর গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১ হাজার ৪৪২ টাকা। রোববার (৯ মে) পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ৬৯ হাজার ১০৯ দশমিক ২০ টাকা। ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ৩৩২ দশমিক ৮০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৬৮ হাজার ২৯২ দশমিক ৭২ টাকা। রোববার পর্যন্ত দাম ছিল ৬৫ হাজার ৯৫৯ দশমিক ৯২ টাকা। দাম বেড়ছে ২ হাজার ৩৩২ দশমিক ৮০ টাকা।

একইভাবে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম পড়বে ৫৯ হাজার ৫৪৪ দশমিক ৭২ টাকা। বর্তমান দাম রয়েছে ৫৭ হাজার ২১১ দশমিক ৯২ টাকা। ভরিতে বেড়েছে ২ হাজার ৩৩২ দশমিক ৮০ টাকা।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৪৯ হাজার ২২২ দশমিক শূন্য ৮ টাকা। রোববার পর্যন্ত দাম ছিল ৪৬ হাজার ৮৮৯ দশমিক ২৮ টাকা। প্রতি ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ৩৩২ দশমিক ৮০ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ হাজার ২২৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরির দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের বাজারে এত দিন সনাতন পদ্ধতিতে রূপার ভরি বিক্রি হতো ৯৩৩ টাকায়। নতুন করে রূপার ক্যারেট শ্রেণি বিন্যাস করে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাজুস।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, করোনাকালীন সময়ে বিশ্ব অর্থনীতির জটিল সমীকরণের মধ্যে অস্থির আর্ন্তজাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা নিম্নমুখী হওয়ায় দেশের বাজারে অচলাবস্থা কাটাতে ও ভোক্তা সাধারণের কথা চিন্তা করে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে বাজুস র্নিধারিত মূল্য তালিকায় বিক্রির অনুরোধ করা হয়েছে।