এবার ঢাবিতে ছাত্রলীগের জুনিয়র নেত্রীকে পেটালেন দুই সিনিয়র নেত্রী!

falguni
রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফাল্গুনী দাস তন্বী (প্রথম), কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি ও শামসুন নাহার হল শাখার সাধারণ সম্পাদক জেসমিন শান্তা (দ্বিতীয়-তৃতীয়)

ছাত্রলীগের দুই নেত্রীর বিরুদ্ধে ঢাবির এক জুনিয়র নেত্রীকে হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই নেত্রীর নাম ফাল্গুনী দাস তন্বী। তিনি রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং হল সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ছিলেন।

অভিযুক্তরা হলেন, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল শাখার সাধারণ সম্পাদক জেসমিন শান্তা।

সোমবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তন্বী।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই দিন রাত ১২ টার দিকে বেনজির হোসেন নিশি এবং জেসমিন শান্তা ফোন দিয়ে ফাল্গুনী তন্বীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদে যেতে বলে। ফাল্গুনী সেখানে গেলে ওই দুই নেত্রী তাকে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এক পর্যায়ে তারা ফাল্গুনীকে মারতে গেলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন। তখন ওই দুই নেত্রীসহ আরও কয়েকজন মিলে তাকে ধাওয়া দিয়ে বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের সামনে বেদম মারপিট করে।

ভুক্তভোগী তন্বী জানান, মারধরের এক পর্যায়ে আমি রক্ত বমিও করি। পরে প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে। পরে আমি প্রাথমিক চিকিৎসা নিই। আমি এখনও অসুস্থ। ঠিকমত কথা বলতে বা খেতে পারছি না।

এই ঘটনা আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তন্বী। তিনি বলেন, আমাকে মারধর করা হয়েছে, ফোন ছিনতাই হয়েছে, অনলাইনে হয়রানি করা হয়েছে। সব অভিযোগে মামলা করবো।

তবে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত বেনজির হোসেন নিশি এবং জেসমিন শান্তাকে একাধিকবার ফোন ও ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তারা কোন সাড়া দেননি।

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, কালকে রাতে ঘটনাটি শুনেছি। এটা নিয়ে আমরা আজকে কথা বলবো। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।