৩৮ দেশ-সংস্থাকে ভোট পর্যবেক্ষণে আমন্ত্রণ ইসির

সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৩৮ দেশ ও সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এদের অনেকেরই ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

গত ১৫ নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই এসব দেশ ও সংস্থাকে ৭ জানুয়ারির নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

তিনি বলেছেন, যেসব দেশ তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানায়, সেসব দেশ ও সংস্থাকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

জানা গেছে, চিঠিতে এসব দেশের নির্বাচন কমিশনারসহ তিনজনের প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের খরচ নির্বাচন কমিশন বহন করবে। এ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের নাম নেই। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সার্ক ও ওআইসিকে।

আমন্ত্রণ পাওয়া দেশগুলো হচ্ছে-ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জর্জিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মিসর, তুরস্ক, উজবেকিস্তান, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, সেনেগাল, থাইল্যান্ড, আজারবাইজান, মালয়েশিয়া, মরিশাস, তিউনিশিয়া, ব্রুনাই, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত এবং সৌদি আরব।

এছাড়া একক দেশ হিসাবে চীন, জাপান ও সিঙ্গাপুরের নির্বাচন কমিশনারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এছাড়া সার্ক ও ওআইসির মহাসচিব এবং ফেমবোসা ও এ-ওয়েব’র চেয়ারপারসনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রত্যেক নির্বাচনে বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেমবোসা, কমনওয়েলথ, ওআইসি এবং ডিকেআইভুক্ত দেশগুলোর ২০ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে এসেছিলেন।

আমন্ত্রিতদের মধ্যে যারা আসবেন, তাদের ব্যয় বহন করবে নির্বাচন কমিশন। আমন্ত্রণকারী দেশ বা সংস্থাকেই এ ব্যয় বহন করতে হয়। তবে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের ব্যয় ইসি বহন করে না। সেক্ষেত্রে আগ্রহীদের নিজ খরচে আসতে হয় বলে জানিয়েছে কমিশন।

এ পর্যন্ত ১২টি দেশ ও সংস্থার ৪৪ জন পর্যবেক্ষক এবং সাংবাদিক ভোট পর্যবেক্ষণের আবেদন করেছেন বলে জানান অতিরিক্ত সচিব কুমার দেবনাথ।

তিনি বলেন, আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশিদের আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে গত ১ নভেম্বর থেকে। এর দুই সপ্তাহ পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল গত ১৫ নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর; বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর।

রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি তারিখ ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। ভোট হবে আসছে বছরের ৭ জানুয়ারি।

 

Scroll to Top