স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম.এ মুহিত বলেছেন, নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাস্থ্যখাতকে অত্যন্ত গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধিসহ তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসব কর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণ, কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং যন্ত্রপাতি, ওষুধপত্র সাপ্লাই দেওয়া হবে। আর ডাক্তাররা যদি রোগীদের ভদ্রভাবে সময় নিয়ে চিকিৎসাপত্র প্রদান করেন তবে শতকরা ৮০ ভাগ রোগী এমনিতেই ভাল হয়ে যাবে মন্তব্য করেছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কর্মরত সকল কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় ও সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালের জায়গা দখল ও দালালদের দৌরাত্ম নিরসন সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য প্রত্যেককে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পুলিশ দিয়ে সাময়িক বন্ধ করা হয় তবে প্রত্যক নাগরিককে হাসপাতালগুলো নিজের হাসপাতাল মনে করতে হবে। যেখানে অন্যায় দেখবেন সেখানেই সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করবেন।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের সকল কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় জেলার সকল হাসপাতালের সরঞ্জাম, চিকিৎসক সংকট, জনবল সংকটের বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আমরা সব সমস্যার সমাধান করব।
তিনি বলেন, প্রত্যেক ডাক্তারদের নিয়মিত অফিসে রোগী দেখতে হবে। কেউ যেন অনুপস্থিত না থাকেন। সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে অনেক সমস্যা দূর হবে।
তিনি বলেন, মহাসড়কের পাশে ট্রমা সেন্টারটি বিগত সময়ে চালু করা হয়নি। আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ট্রমা সেন্টারটি দ্রুত চালু করবো।
এ সময় জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সিভিল সার্জন ডা. রুহুল আমিনসহ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের সকল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







