দেশের তিন জেলার চারটি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলের আরও ১২টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সতর্কসীমায় রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানায়।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদীর ছাতক (সুনামগঞ্জ) পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার, মারকুলি (সুনামগঞ্জ) পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এফএফডব্লিউসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১২৭টি পর্যবেক্ষণাধীন পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে ৭৫টিতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, ৪৮টিতে কমেছে এবং ২টিতে অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া আরও দুটি স্টেশনের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বর্তমানে সতর্কসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ, কুশিয়ারা নদীর শেরপুর (সিলেট), দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী (কুড়িগ্রাম), ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম, তিস্তা নদীর ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (রংপুর), তারাপুর ও হরিপুর (গাইবান্ধা), ব্রহ্মপুত্র নদীর হাতিয়া ও চিলমারী (কুড়িগ্রাম) এবং যমুনা নদীর সাঘাটা (গাইবান্ধা), সারিয়াকান্দি (বগুড়া) ও জগন্নাথগঞ্জ (জামালপুর) পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উজানে সর্বোচ্চ ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পংয়ে। একই সময়ে দেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ ৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিরাজগঞ্জে।







