দেশের সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পরিচালিত এইচএসসি (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমে আশানুরূপ শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।
কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে আসন খালি রাখা বন্ধ করতে প্রচারণা জোরদারসহ শিক্ষকভিত্তিক বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার অধিদপ্তরের এক চিঠিতে দেশের সকল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজসমূহে বিদ্যমান অবকাঠামো, জনবল ও শিক্ষা উপকরণ থাকা সত্ত্বেও এইচএসসি (ভোকেশনাল) কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা আশানুরূপ নয়। ফলে সরকারের অবকাঠামো, জনবল এবং শিক্ষা কার্যক্রম যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না, যা কারিগরি শিক্ষার প্রসারে বাধা তৈরি করছে।
এ অবস্থার উত্তরণে অধিদপ্তর থেকে সাতটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচারণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো। অভিভাবক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভার আয়োজন।
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ট্রেড, আধুনিক ল্যাব, কর্মসংস্থানের সুযোগ ও উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা তুলে ধরে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানো। অনলাইন প্লাটফর্ম যেমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ক্যাবল টিভি, স্থানীয় গণমাধ্যম, ব্যানার ও লিফলেটের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করা।
স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি (ভোকেশনাল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এইচএসসি (ভোকেশনাল) কোর্সে ভর্তি নিশ্চিত করা। প্রত্যেক শিক্ষককে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তির দায়বদ্ধতা দিয়ে অফিস আদেশ জারি করা। ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ট্রেডভিত্তিক হালনাগাদ তথ্য নির্ধারিত ছকে পূরণ করে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো।
আরও বলা হয়, ভর্তির সার্বিক অগ্রগতি ও গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রথম প্রতিবেদন আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে চূড়ান্ত ভর্তির তথ্য ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।







