যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে ইরান, তবে সেটিকে ‘অত্যন্ত কঠোর ও অযৌক্তিক’ বলে উল্লেখ করেছে তেহরান। ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবটি বাস্তবে যেমন, কিছু গণমাধ্যমে তা সেভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।
সূত্রটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফার পরিকল্পনাটি ইরান পেয়েছে। তবে এটি ‘চরম একপাক্ষিক’। এমনকি কাগজে-কলমেও এটি গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের ভাষায়, প্রস্তাবটি বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র বারবার নিজেদের অবস্থান বদলাচ্ছে। কিন্তু তাদের (ইরানের) অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। তারা কোনটি মানবেন কোনটি মানবেন না সেটাও স্পষ্ট।
একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সরাসরি বা পরোক্ষ আলোচনা হয়নি। তবে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলেছে।
এদিকে, পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাব তেহরানের কাছে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের একটি সরকারি সূত্র। যুদ্ধ বন্ধে সম্ভাব্য আলোচনার স্থান হিসেবে তুরস্ক ও পাকিস্তানের নাম বিবেচনায় রয়েছে বলেও জানা গেছে।
প্রস্তাবের বিস্তারিত এখনো পরিষ্কার নয়। তবে আগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এতে ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত সরানো, সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়ন বন্ধের মতো শর্ত থাকতে পারে।
চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাতের মধ্যে এমন প্রস্তাব সামনে আসায় বিশ্ববাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। তেলের দাম কিছুটা কমেছে এবং শেয়ারবাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে।






