স্বল্পমূল্যের ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য ও ইউক্রেন।
মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির লন্ডন সফরের আগে এ ঘোষণা দিয়েছে ডাউনিং স্ট্রিট।
গত মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান প্রধানত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। তবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলার ক্ষেত্রে তারা ড্রোনের ওপর নির্ভর করেছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এই চুক্তি ‘স্বল্পমূল্যের, উচ্চপ্রযুক্তির সামরিক সরঞ্জাম-বিশেষ করে ড্রোন-বিস্তারের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াবে।’
চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের যুদ্ধে ড্রোন মোকাবিলায় অর্জিত ইউক্রেনের ‘দক্ষতা’ ও যুক্তরাজ্যের শিল্পভিত্তিকে কাজে লাগানো হবে। এর লক্ষ্য ড্রোন ও নতুন উদ্ভাবনী সক্ষমতা উৎপাদন ও সরবরাহ করা।
স্টারমার বলেন, ‘ড্রোন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও দ্রুত যুদ্ধক্ষেত্র উদ্ভাবন এখন জাতীয় ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার কেন্দ্রে অবস্থান করছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এ বিষয়কে আরও গুরুত্ব দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব জোরদারের মাধ্যমে আমরা ইউক্রেনকে রাশিয়ার চলমান নির্মম হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করার সক্ষমতা বাড়াচ্ছি। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য ও মিত্রদের ভবিষ্যৎ হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত করছি।’
চুক্তির আওতায় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি, ‘এআই সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ গঠনে ৫ লাখ পাউন্ড বা ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার দেওয়া হবে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মঙ্গলবারের লন্ডন সফর এমন সময়ে হচ্ছে, যখন তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বিশ্বের মনোযোগ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ থেকে সরিয়ে নিতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মস্কোর ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিল করেছে ওয়াশিংটন। এরপরও ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্ররা কিয়েভকে সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।






